1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ঈদের পরে মাঠের লড়াই!

ঈদের পরে বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে নামছে৷ সেই আন্দোলন মোকাবিলায় শাসক দল আওয়ামী লীগও নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ এ ব্যাপারে করণীয় ঠিক করতে বিকেলে বসেছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক৷

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘‘মাঠের খেলা মাঠেই হবে৷'' এর জবাবে বিএনপি বলেছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী রক্তাক্ত প্রান্তরেরই অশুভ ইঙ্গিত দিয়েছেন৷''

আন্দোলন মোকাবিলায় মাঠে থাকার পাশাপাশি বিএনপিকে আগের মতোই মামলায় ব্যস্ত রাখতে চায় শাসক দল আওয়ামী লীগ৷ সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘‘বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা ও হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের নিস্ক্রিয় মামলাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করতে পুলিশকে বলা হয়েছে৷'' হেফাজতসহ সারাদেশে বিরোধী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০ হাজারের মতো মামলা আছে৷

তবে এবার রাজনৈতিকভাবেও আওয়ামী লীগ বিএনপিকে মোকাবিলা করতে চায়৷ সেজন্য সংগঠনকে চাঙ্গা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ ঈদে নেতাদের ও এমপিদের এলাকায় গণসংযোগ করতে বলা হয়েছে৷ এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে দলে যেসব বিভক্তি আছে তাও দূর করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ নেতাদের এলাকার ঠিকাদারিসহ সব ধরণের আর্থিক কাজ দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সমতার ভিত্তিতে বণ্টনের জন্য বলা হয়েছে, যাতে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ না থাকে৷

একারণেই ঈদের আগে সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে৷ এই বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য ঈদের পরে বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলন মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ৷

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, ‘‘বিএনপি যদি রাজনৈতিক আন্দোলন করে তাহলে রাজনৈতিকভাবেই তা মোকাবিলা করা হবে৷ এজন্য তারা দলীয়ভাবে প্রস্তুত আছেন৷

বিএনপি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দিলে আমরা তাতে বাঁধা দেব না৷ কিন্তু কর্মসূচির নামে সহিংসতা ও মানুষের জানমালের ক্ষয়-ক্ষতি করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোর হাতে দমন করবে৷'' তিনি জানান, ‘‘সারাদেশে সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে৷ নেতা-কর্মীরা সক্রিয় হচ্ছেন৷ আর মহাজোটের শরিকরাও একসঙ্গে কাজ করছেন৷''

এদিকে যুক্তরাজ্য সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদের পরে বিএনপির সরকার বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শনিবার বলেন, ‘‘মাঠের খেলা মাঠেই হবে৷ ফুটবল মাঠে কে কয়টা গোল দেয়, সেটা সেখানেই দেখা যাবে৷ মাঠে নামুক না৷ মাঠে আওয়ামী লীগ আছে, মানুষও আছে৷''

এর জবাবে সোমবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী রক্তাক্ত প্রান্তরের অশুভ ইঙ্গিত দিচ্ছেন৷'' তিনি বলেন, ‘‘ঈদের পর সব মাঠ থাকবে জনগণের দখলে৷ ক্ষমতাসীনদের বাছাই করা র‌্যাব-পুলিশের নিষ্ঠুর কর্মকর্তারা নিজেদের পাপে নিজেরাই ধরা খাচ্ছে৷ অপরাধী, খুনিরা কখনোই বেশিদিন আইনের আওতা থেকে বাইরে থাকতে পারে না৷ এই সমস্ত খেলোয়াড়দের নিয়ে শেখ হাসিনা যে বড়াই করছেন, সেটির এবার চূড়ান্ত পরিণতি দেখবেন৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়