1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ই-বর্জ্য নিয়ে ইইউ-র ঢিলেমি, পরিবেশবাদীরা ক্ষুব্ধ

ইউরোপের দেশগুলোতে ইলেকট্রনিক পণ্য ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে৷ একই সঙ্গে বাড়ছে বাতিল পণ্যের বর্জ্য৷ কিন্তু ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এই বর্জ্য সমস্যা সমাধানে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না বলে পরিবেশবাদীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন৷

default

ই-বর্জ্যের পরিমাণ ক্রমশ আরও বেড়েই চলেছে

প্রতি বছর ইউরোপের দেশগুলোতে লাখ লাখ টন ‘ই বর্জ্য' জমা হচ্ছে৷ ই-বর্জ্য মানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন সহ বাতিল হয়ে যাওয়া ইলেকট্রনিক পণ্য এবং যন্ত্রাংশ৷ আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ই-বর্জ্যের পরিমাণ প্রতি বছর গড়ে ১২ মিলিয়ন টন পর্যন্ত দাঁড়াবে বলে পরিবেশবাদীরা আশঙ্কা করছেন৷ এই বর্জ্য পরিষ্কার করা কিংবা নষ্ট করে ফেলা নিয়ে অনেকদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে৷ কেউ দাবি করছেন এগুলোকে নষ্ট করে ফেলা হোক, আবার কেউবা এগুলোকে রিসাইক্লিং করার পক্ষে৷

যাই হোক, সম্প্রতি ইউরোপীয় সংসদ একটি প্রস্তাব দিয়েছিল এই ব্যাপারে৷ সেটি হলো, ইইউর দেশগুলোকে আগামী ২০১৬ সালে মধ্যে ৮৫ শতাংশ ই-বর্জ্য হয় রিসাইকেল অর্থাৎ পুনর্ব্যবহারের জন্য প্রক্রিয়াজাত করতে হবে, নয়তো নষ্ট করে ফেলতে হবে৷ কিন্তু ইইউর পরিবেশ মন্ত্রীদের সর্বশেষ বৈঠকে সেই প্রস্তাব ধোপে টেকেনি৷ তারা শুধু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে দেশগুলোকে প্রতি বছর বাজারের শতকরা ৪৫ ভাগ ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ করতে হবে৷ এবং আগামী ২০২০ সালের মধ্যে এই সংগ্রহের পরিমাণ শতকরা ৬৫ ভাগে উন্নীত হবে৷ তবে পূর্ব ইউরোপের কিছু দেশের জন্য এই শর্ত কিছুটা শিথিল থাকবে৷

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ইউরোপীয় মন্ত্রীরা যে ই-বর্জ্য সংগ্রহের কথা বলেছেন, সেগুলো দিয়ে কী করা হবে? সেটি নিয়ে এখনও চলছে নানা কথাবার্তা৷ বিশেষ করে মন্ত্রীদের এই ধরণের ঢিলেমি পরিবেশবাদীরাই মেনে নিতে পারছেন না৷ কারণ দিন দিন যেভাবে ই-বর্জ্যের পরিমাণ বেড়ে চলেছে, তাতে ইউরোপীয় সংসদের প্রস্তাবটি অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব এবং যুক্তিযুক্ত ছিল৷ কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো আপাতত এখনই সেদিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়