1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

তুরস্ক

ইস্তানবুলে হামলার দায়িত্ব স্বীকার করল আইএস

ইস্তানবুলের রাইনা নাইট ক্লাবে হামলা চালিয়েছে তাদের এক ‘সৈনিক'- টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করেছে তথাকথিক জঙ্গি সংগঠন আইএস ৷ আক্রমণকারী এখনও পলাতক৷

আইএস অতীতেও এই পন্থায় বিভিন্ন হামলার দায়িত্ব নিয়েছে৷

বিবৃতিতে তথাকথিত মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠীটি লিখেছে, ‘‘ইসলামিক স্টেট ক্রুশের রক্ষাকারী তুরস্কের বিরুদ্ধে যেসব পবিত্র অভিযান চালাচ্ছে, তার অনুবর্তন হিসেবে খেলাফতের এক বীর সৈনিক প্রখ্যাততম একটি নাইট ক্লাবে আঘাত হেনেছে৷''

নিউ ইয়ার্স ডে পালনের জন্য ইস্তানবুলের জনপ্রিয় নাইট ক্লাবটিতে সমবেত হয়েছিলেন প্রায় ৭০০ অতিথি৷ মধ্যরাতের এক ঘণ্টার মধ্যেই এক বন্দুকধারী প্রহরারত এক পুলিশ ও নাইটক্লাবের রক্ষীকে গুলি করে ভিতরে ঢোকে ও এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে ৩৯ জনকে হত্যা করে৷ আহত হন প্রায় ৭০ জন৷

আততায়ী একজন ছিল বলেই কর্তৃপক্ষের ধারণা, যদিও সে একাধিকবার পোশাক বদল করে থাকতে পারে - অন্তত সে যে পোশাকে নাইট ক্লাবে ঢুকেছিল, সেই পোশাকে সে সেখান থেকে বের হয়নি৷  পুলিশ সিকিউরিটি ফুটেজ থেকে আততায়ীর একটি অস্পষ্ট সাদা-কালো ছবি প্রকাশ করেছে৷ তুরস্কের সংবাদপত্র ‘হুরিয়েৎ' ও ‘কারার' সোমবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সূত্রে খবর দিয়েছে যে, আততায়ী উজবেকিস্তান বা কিরগিজস্তানের মতো মধ্য এশিয়ার কোনো দেশ থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷নিহতদের দুই-তৃতীয়াংশ দৃশ্যত বিদেশি, তাদের মধ্যে অনেকেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত৷ সৌদি আরব, মরক্কো, লেবানন, লিবিয়া, ইসরায়েল ও ভারতের নাগরিক ছাড়া তুরস্ক ও বেলজিয়ামের এক যৌথ নাগরিক ও এক ফরাসি-টিউনিশীয় মহিলাও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন৷ সৌদি আরবের আল-রিয়াদ পত্রিকা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন সৌদি আরব থেকে এসেছিলেন৷

ভারতীয় মিডিয়া জানাচ্ছে, ভারতের যে দু'জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন তারা হলেন রাজ্যসভার এক সাবেক সদস্যের পুত্র আবিস রিজভি ও গুজরাত থেকে আগত খুশি শাহ৷ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নিহতদের পরিবারের ভিসার ব্যবস্থা করার খবর দিয়েছেন ও তুরস্কে নিয়োজিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ইস্তানবুল যাবার নির্দেশ দিয়েছেন৷

ওসি/এসিবি (রয়টার্স, এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন