1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইস্তানবুলে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে

ইস্তানবুল বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী আক্রমণে আহত আরো এক মহিলা প্রাণ হারিয়েছেন, বলে তুরস্কের সরকারি আনোদোলু সংবাদ সংস্থার খবরে প্রকাশ৷ সন্ত্রাসের পিছনে আগের মতোই তথাকথিত ইসলামিক স্টেটকে সন্দেহ করা হচ্ছে৷

প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান ইস্তানবুল সন্ত্রাসকে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ‘টার্নিং পয়েন্ট' বলে অভিহিত করেছেন৷ একটি জনপ্রিয় জার্মান দৈনিক সংহতি প্রকাশের জন্য আবার তুর্কি ভাষার সহায়তা নিয়েছে৷

মঙ্গলবার রাত্রে তিনজন আত্মঘাতী বোমারু ট্যাক্সিতে চড়ে আতাতুর্ক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক অংশের বাইরে পৌঁছায়৷ তাদের মধ্যে দু'জন বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকে সুইসাইড বেল্ট ফাটায়৷ এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে আক্রমণকারীরা বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বেড়া পার হতে সমর্থ হয়৷ একজন তার বোমাটি ফাটায় ডিপার্চার হলে, দ্বিতীয়জন অ্যারাইভালে, তৃতীয়জন নিজেকে টার্মিনালের বাইরে উড়িয়ে দেয়৷ হতাহতের সংখ্যা আপাতত- নিহত ৪২, আহত ২৩৯৷

নিহতদের মধ্যে ১৩ জন বিদেশি আছেন বলে প্রকাশ৷ এর মধ্যে পাঁচজন সৌদি, দু'জন ইরাকি, এছাড়া চীন, জর্ডান, তিউনিশিয়া, উজবেকিস্তান, ইরান ও ইউক্রেনের নাগরিক৷

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, টার্মিনালের ভিতরে একজন আততায়ী কিভাবে এক পুলিশ অফিসারের গুলিতে মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরও তার বোমাটি ফাটাচ্ছে – গুলি লাগার প্রায় ২০ সেকেন্ড পর৷ তুর্কি দোগান সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, তিনজন নিহত আততায়ীর ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন লাশের ময়ানতদন্ত শেষ হয়েছে এবং তারা সম্ভবত বিদেশি নাগরিক৷ তবে সংবাদ সংস্থাটি এই খবরের কোনো সূত্র জানায়নি৷ আক্রমণের পর দু'দিন কেটে যাওয়া সত্ত্বেও কোনো দল বা গোষ্ঠী এই আক্রমণের দায়িত্ব স্বীকার করেনি৷

বিশ্বের সংহতির কোনো অভাব নেই

প্যারিস, ব্রাসেলসের সঙ্গে ইস্তানবুলের সন্ত্রাসকেও একই পর্যায়ে ফেলা ও দেখা হচ্ছে৷ তবে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে তুরস্কের রাজনীতি যে তুরস্ককে বিশেষ ঝুঁকির মুখে ফেলেছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই৷ এমনকি মার্কিন সরকার নাকি সামরিক ও বেসামরিক সদস্যদের পরিবার তুরস্কে নিয়ে যাওয়া স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে চলেছে৷

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়