1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইসলামাবাদে আবার সিনেমা হল

রাজধানী শহরে সিনেমা হল খোলা কোনো চাঞ্চল্যকর ঘটনা হতে পারে না৷ কিন্তু দেশটির নাম যখন পাকিস্তান? নানা কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যেখানে প্রায় স্তব্ধ? তাই তো প্রথম ‘মাল্টিপ্লেক্স’ নিয়ে এমন মাতামাতি৷

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ বেশ জমজমাট শহর৷ তবে ছিল না কোনো সিনেমা হল৷ ২০০৬ সালে শেষ সিনেমাটি বন্ধ হয় যায়৷ সন্ত্রাসবাদ, উগ্র রক্ষণশীল মতবাদের বিকাশ ইত্যাদি কারণে একে একে সিনেমাগুলি বন্ধ হয়ে যেতে থাকে৷ শুধু রাজধানী নয়, গোটা দেশেই একই প্রবণতা৷ ফিল্ম বিষয়ক পত্রিকা মজহার-এর সূত্র অনুযায়ী ১৯৯৫ সালে যেখানে প্রায় ৭৫০টি সিনেমা হল ছিল, ২০০৭ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৩৯-এ৷

২০০৩ সালে উন্মত্ত জনতা ইসলামাবাদের সবচেয়ে পুরানো সিনেমা হল মেলোডি-তে আগুন ধরিয়ে দেয়৷ এক বে-আইনি সুন্নি সংগঠনের নেতার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সেখানে চলছিল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ৷ ১৯৬৬ সালে ইসলামাবাদে তৈরি হয়েছিল হলটি৷ আরও বেশ কয়েকটি হল বিভিন্ন কারণে একে একে বন্ধ হয়ে যায়৷

Lahore, PAKISTAN: Pakistani cinema goers queue for tickets for the Indian classic movie Mughal-e-Azam outside the Gulistan Cinema in Lahore, 23 April 2006. The forbidden love of Pakistanis for Indian movies was allowed into the open on 23 April with the public screening of a 1960 classic beloved on both sides of the border. AFP PHOTO/Arif ALI (Photo credit should read Arif Ali/AFP/Getty Images)

পাকিস্তানে বলিউড ছবির কদর বাড়ছেই...

এতদিন পর আবার চালু হলো নতুন একটি হল৷ আসলে বিশাল শপিং মল, যার মধ্যে সিনেমা ঘর৷ একটি নয়, একেবারে পাঁচটি হলের আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাল্টিপ্লেক্স৷ নাম ‘সেন্টুরাস'৷ প্রায় সবকটি হলেই ৫০০ লোকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে৷ একটি হল শুধু কূটনীতিক ও অন্যান্য ভিআইপি-দের জন্য৷ সেখানে মাত্র ১৭টি আসন৷ হলিউডের পাশাপাশি বলিউড ছবিও দেখানো হচ্ছে৷ ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি'-র পাশেই চলছে ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি'৷

সিনেমা হলের কোম্পানির প্রধান আমির হায়দার সহজে হার মানার পাত্র নন৷ গত বছরই জনতা করাচিতে তাঁর কোম্পানির একটি সিনেমা হলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলো৷ তার পরেও ইসলামাবাদে নতুন হল খুলতে দ্বিধা করে নি কোম্পানি৷ তাঁর মতে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ আমোদ করতে ভালোবাসেন৷ তাদের ভালো কিছু দেখালে অবশ্যই দেখবেন৷ তবে পাকিস্তানের নিজস্ব চলচ্চিত্র শিল্প প্রায় ভেঙে পড়ায় আপাতত হলিউড ও বলিউড-ই ভরসা৷ বলিউড ছবি এমনিতেই বেশ জনপ্রিয়৷ আইনি বা বে-আইনি পথে মানুষ সেগুলি ঠিকই দেখে নেন৷

মল-এর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করিডোরে সব বয়সের মানুষ ভিড়৷ কী নেই সেখানে! আছে উর্দু ও হিন্দি গানের সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কারাওকে-র ব্যবস্থা৷ দক্ষিণ কোরিয়ার ‘গ্যাংনাম স্টাইল'-এ নাচতেও বাধা নেই৷ এমন সুযোগ পেয়ে শহরের মানুষ বেশ উত্তেজিত৷ সব বয়সের মানুষ ভিড় করছে৷ রাত দশটার পরেও মানুষ ও গাড়ির ভিড় চোখে পড়ার মতো৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন