1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র: যতো গর্জে ততো বর্ষে না?

নিউ ইয়র্কে ওবামা, আহমদিনেজাদের বাগযুদ্ধ কিন্তু আপোষের অন্তরায় নয়৷ জাতিসংঘের সাধারণ সম্মেলনের অবকাশে দুই নেতার এখনও মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়নি বটে, কিন্তু পরোক্ষে এক ধরণের সংলাপ চলেছে বলা চলে৷

Iran, USA, UN, Politics, 9/11, Obama, Ahmedinejad, Hatred, New York, Manhattan,ইরান, অ্যামেরিকা, ওবামা, আহমেদিনেজাদ, ৯/১১, নিউ ইয়র্ক

হাতে পবিত্র কোরান এবং বাইবেল, দুই ধর্মগ্রন্থ নিয়ে আহমদিনেজাদ, ভাষণ দিচ্ছেন সাধারণ সম্মেলনে

অপরদিকে বিশ্বরাজনীতির অপরাপর সমস্যাগুলিও তো মার্কিন প্রেসিডেন্টের মনোযোগের অপেক্ষায়৷ - যাই হোক, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমদিনেজাদের ‘ঘৃণায় ভরা', প্ররোচনামূলক সব মন্তব্যের কথা বলেছেন বারাক ওবামা৷ সাধারণত এরকম কঠিন কথাবার্তা শোনা যায় না তাঁর মুখে৷

কিন্তু মনে রাখতে হবে, আহমদিনেজাদ কোথায় দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলেছেন৷ গ্রাউন্ড জিরোর অতি কাছে দাঁড়িয়ে বিশ্বসমাজের সামনে বলেছেন, নাইন-ইলেভেনের আক্রমণে মার্কিন সরকারের একটা ভূমিকা ছিল৷ যে নাইন-ইলেভেন সম্পর্কে ওবামার মন্তব্য: ঐ ঘটনা এ'প্রজন্মের মার্কিনিদের পক্ষে একটি ‘বৈজিক ট্র্যাজেডি'৷ সেই কারণেই আহমদিনেজাদের বক্তব্য ‘ক্ষমার অযোগ্য'৷

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুনও তো ইরানি নেতার নাম না করেই তাঁর মন্তব্যগুলোর নিন্দা করেছেন৷ - কিন্তু শোনা যাচ্ছে নাকি শুক্রবার ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দু'তরফ থেকেই শোনা গেছে যে, তারা পরমাণু আলাপ-আলোচনার এক নতুন পর্যায় শুরু করতে রাজি৷

মজাটা সেখানেই৷ যেমন রাজনীতির কোনো বিকল্প নেই, সেরকম রাজনীতিতে গোঁসা করলে চলে না৷ তাই আহমদিনেজাদ জানিয়েছেন, এক ইরানি কর্মকর্তা নাকি আগামী মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন এ্যাশটনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন৷ আবার ওবামা বিবিসি'র পার্সী অনুষ্ঠানকে বলেছেন, আন্তরিক আলাপ-আলোচনা শুরু হলে ইরানের উপর জোরদার নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগুলি তুলে নেওয়া হতে পারে৷

মধ্যপ্রাচ্য

Ein Siedler mit MiIitärs

আবার সেই ইহুদি বসতি নিয়ে টানাপোড়েন

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের এই সাধারণ সম্মেলনের অবকাশে শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন আবার ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে দেখা করেন৷ ক্লিন্টন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি, দু'পক্ষের সাথেই জোরদার কথাবার্তা চালাচ্ছেন, কেননা আজ রবিবার নতুন বসতি নির্মাণের উপর ইসরায়েলি স্থগিতাজ্ঞার অবসান ঘটছে৷ তবে ওবামা কেন, বিশ্বের নেতৃবর্গের কেউই মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতকে বিস্মৃত হননি৷ তার প্রমাণ, ওবামা গতকাল নিউ ইয়র্ক থেকেই টেলিফোনে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে কথা বলেন৷ তাঁদের কথাবার্তার উপজীব্য ছিল ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সরাসরি আলাপ-আলোচনার প্রতি তাঁদের সমর্থন৷

সুদান নিয়ে ওজনদার বৈঠক

তার কারণ হল, সুদানের গণভোট৷ আগামী জানুয়ারিতে দক্ষিণ সুদানের মানুষরা একটি গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা খার্তুমের জাতীয় ঐক্যের সরকারে থাকবে কি থাকবে না৷ বিপদ হল, গণভোট দক্ষিণ সুদানের বিচ্ছিন্ন হওয়ার দিকেই যেতে পারে৷ ওদিকে আবার দক্ষিণ সুদানই খনিজ তেল সমৃদ্ধ৷ কাজেই পাঁচ বছরের অপেক্ষাকৃত শান্তির পর আবার গৃহযুদ্ধ মাথা চাড়া দিতে পারে৷ কাজেই ওবামা, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নেতা, আফ্রিকান ইউনিয়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সুদানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট, সবাই মিলে বসে ঠিক সেই বিপদটাই এড়ানোর পন্থা খুঁজেছেন৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়