1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইরানের সঙ্গে রফার ফলে চাঙ্গা পুঁজিবাজার

পেট্রোলিয়াম ও অবকাঠামো থেকে শুরু করে অনেক ক্ষেত্রে ইরান থেকে কোটি কোটি ডলার মূল্যের অর্ডারের আশা করছে ইউরোপীয় সংস্থাগুলি৷ এদিকে বাজেট ঘাটতির রাশ টেনে ধরতে অভিনব উদ্যোগ নিচ্ছে ইউরোগ্রুপ৷

সোমবার ইউরোপ সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পুঁজিবাজার বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল৷ গত ৫ বছরে এমন মাত্রা দেখা যায়নি৷ ডলারের বিনিময় মূল্যও বেড়ে গিয়েছিল৷ এর প্রধান কারণ সপ্তাহান্তে জেনিভায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনায় ইতিবাচক ফলাফল৷ কারণ এবার ইরানের সঙ্গে পেট্রোলিয়াম ও অন্যান্য বাণিজ্য শুরু হতে পারে৷ তবে এই উচ্ছ্বাস কতদিন স্থায়ী হবে, তা বলা কঠিন৷ কারণ আপাতত ৬ মাসের জন্য সে দেশের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হচ্ছে মাত্র৷ ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত বোঝাপড়া আদৌ সম্ভব হবে কিনা, বা হলে কবে হবে – তা বলা যাচ্ছে না৷ এমনটা হলে কোটি কোটি ডলার মূল্যের বাণিজ্য সম্ভব হবে৷ ইউরোপের অনেক সংস্থা উপকৃত হবে৷

এদিকে ইউরোপ নিজের ঘর সামলাতেও কিছু কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে৷ ইউরো এলাকায় বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এক অভিনব প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে৷ এর আওতায় প্রতি বছর অক্টোবর মাসের মধ্যে সদস্য দেশগুলিকে পরের বছরের খসড়া বাজেট ইউরোপীয় কমিশনে পাঠাতে হবে৷ গোলমাল চোখে পড়লে কমিশন তা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারবে৷ এ বছর অবশ্য নিয়ম শিথিল করে অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে৷ এই প্রথম তাঁরা যে যার দেশের ২০১৪ সালের প্রস্তাবিত বাজেটের খসড়া একে অপরকে দেখিয়েছেন৷ উদ্দেশ্য, আগেভাগেই ঘাটতি এড়ানো এবং সংকটের আশঙ্কা দূর করা৷ সেই আলোচনায় ইটালি, স্পেন, ফিনল্যান্ড ও মাল্টাকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে৷ একমাত্র জার্মানি ও এস্টোনিয়া বাজেট ঘাটতি সংক্রান্ত নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলছে৷ তবে যে চারটি দেশ বেলআউট কর্মসূচির আওতায় রয়েছে, তারা আপাতত এই প্রক্রিয়ার বাইরে রয়েছে৷ ইউরোগ্রুপ-এর প্রধান ইয়েরুন ডাইসেলব্লুম বলেন, আলোচনার পরিবেশ বেশ ভালো ছিল৷ সবাই খোলা মনে ঝুঁকির আশঙ্কা নিয়ে কথা বলেছেন৷

এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, সংকটগ্রস্ত দেশগুলি বাজেট ঘাটতি সামলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে এগোতে পারবে কিনা৷ ইটালি ও স্পেন ইউরো এলাকার যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি৷ চাপে পড়ে এই দুই দেশই অনেক অপ্রিয় সংস্কারের পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে৷ তাতে প্রাথমিক সুফলও দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু তাদের ঋণভার এত বেশি, যে পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কিছুটা সময় লাগবে৷ বাজেট নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও প্রবৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে যাচ্ছে৷ বিশেষ করে ফ্রান্স দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার পক্ষে জোরালো সওয়াল করছে৷ ২০১৪ সালে ইউরো এলাকার পরিস্থিতি অনেক বেশি স্থিতিশীল হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন