1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরানের পরমাণু আলোচনায় নতুন মোড়

বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর সাথে ইরানের পরমাণু আলোচনা দ্বিতীয় দফায় পৌঁছেছে৷ আশা করা হচ্ছে, এই পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ৩৫ বছরের বৈরিভাবের অবসান হবে৷

তবে কেউই এই আলোচনা নিয়ে বেশি আশাবাদী নন৷ তারপরও ভিয়েনায় শুরু হওয়া এই আলোচনায় কিছু একটা ফল বেরিয়ে আসবে – এমটাই মনে করা হচ্ছে৷ ইরানের সাথে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি৷

আলোচনা শুরুর একদিন আগেই অবশ্য ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই বলেছেন, এই আলোচনার ফল নিয়ে তিনি খুব একটা আশা করছেন না৷ কেননা তাঁর মনে হয় আলোচনাটা অসমাপ্তই থেকে যাবে৷ তবে খামেনি এও বলেছেন, আলোচনার বিপক্ষে নন তিনি৷

এদিকে মার্কিন এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, ‘‘এটা এমন হতে পারে যে ঠিক আমরা যেটা চাচ্ছি হুবহু তেমন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না৷ তবে জাতীয় নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন কূটনৈতিক আলোচনা সবচেয়ে ভালো পন্থা, যার কোনো বিকল্প হতে পারে না৷''

গত ২৪শে নভেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ ও জার্মানি ইরানের সঙ্গে একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরমাণু চুক্তি করে৷ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত শর্ত অনুযায়ী, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির কিছু উদ্যোগ সীমিত করার ব্যাপারে সবাই একমত হয়৷ যেমন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমিয়ে আনবে, যা পাঁচ শতাংশের বেশি হবে না৷ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদও কমাবে৷ অর্থাৎ প্রথমবারের মতো পশ্চিমা শক্তি ইরানকে স্বল্প মাত্রায় উইরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেয়৷ চুক্তি কার্যকর করার বিনিময়ে ইরানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পর্যায়ক্রমে শিথিল করার কথা৷ যেমন সোনা, মূল্যবান ধাতু, মোটরগাড়ি ও পেট্রোকেমিকেল রপ্তানির ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হবে৷ ২০ জুলাই পর্যন্ত নতুন নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হবে না৷ শর্ত অনুযায়ী, ২০শে জানুয়ারি থেকে ইরান পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করেছে৷

এপিবি/এসবি (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন