1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইরানি নারী সাখিনাকে পাথর ছুঁড়ে মারা হবেনা

ইরানি নারী সাখিনাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলা হবেনা৷ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিরোধের মুখে শুক্রবার ইরান ঘোষণা দিয়েছে, বিয়ে বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক গড়ার অপরাধে দণ্ডিত ঐ নারীকে পাথর ছুঁড়ে মারা হবেনা৷

default

ইরানি নারী (ফাইল ছবি)

যদিও এর আগে মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত সখিনাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলার আদেশ দেয় ইরানের আদালত৷

ব্রিটেনের দৈনিক টাইমস পত্রিকা লিখেছে, লন্ডনে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস একটি বিবৃতিতে জানায়, ইরানের সংশ্লিষ্ট আদালতের দেয়া তথ্য অনুসারে ৪৩ বছর বয়সি সাখিনা আশতিয়ানিকে পাথর ছুঁড়ে মারা হবেনা৷ কিন্তু এই বিবৃতিতে বলা হয়নি তাকে দণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে নাকি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কাযর্কর করা হবে৷

আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ২০০৬ বা ২০০৭ সালে সাখিনাকে মৃত্যুদন্ড দেয় আদালত৷ এর আগে ৯৯টি বেত্রাঘাত করা হয় তাঁকে৷

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন সহ গোটা বিশ্বে পাথর ছুঁড়ে মারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্দে নিন্দার ঝড় ওঠে৷ ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ বৃহস্পতিবার সারা বিশ্বের জন্য মধ্যযুগীয় এই শাস্তিকে ভীতিকর ও শংকার বিষয় উল্লেখ করেন৷ বলেন, আমি পত্রিকায় শাস্তির ধরণটি পড়ে আতংকিত হয়েছি৷ তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আধুনিক বিশ্বে মধ্যযুগীয় এ শাস্তির কোনো স্থান নেই৷ আর ইরানে এধরণের শাস্তি অব্যাহত রাখাকে আমরা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেই মনে করছি৷

এদিকে ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মার্ক টোনার বলেন, পাথর ছুঁড়ে মৃত্যদন্ড কার্যকর করা নির্যাতনের সামিল৷ এটি একটি বর্বরোচিত ও ঘৃণ্য আইন৷ নির্যাতন করে এভাবে যেখানেই মারা হোক না কেন আমরা তার কঠোর নিন্দা জানাই৷

এরইমধ্যে বিশ্বের অনেক প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের স্বাক্ষরসহ একটি খোলা চিঠিতে নিন্দা জানিয়ে এই শাস্তি বন্ধের জন্য প্রচারাভিযান জোরদার হয়েছে৷ অন্যদিকে ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর তাবরিজের কারাগারে মৃত্যুর প্রহর গুনছে সাখিনা৷ মৃত্যুর আগেই তিনি অসহনীয় কষ্ট ও যন্ত্রণা ভোগ করছেন বলে চিঠিটিতে বলা হয়েছে৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক