1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরানি এক তরুণীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আবেদন অ্যামনেস্টির

স্বামী হত্যার অভিযোগে ইরানে ২২ বছরের এক মেয়ের মৃত্যুদণ্ড যে-কোনো সময় কার্যকর করা হতে পারে৷ তবে অ্যামনেস্টির অভিযোগ, মামলাটি নিরপেক্ষ ছিল না৷ তাই মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আবেদন জানিয়েছে সংস্থাটি৷

জয়নাব সেকানভান্দ লোকরান নামের তরুণীটির বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর স্বামীকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়৷ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি বলছে, সেই সময় লোকরানের বয়স ১৮ বছরের কম ছিল৷ কিন্তু মামলার রায় ঘোষণার সময় সেটি বিবেচনায় নেয়া হয়নি৷

এছাড়া অ্যামনেস্টির দাবি, গ্রেপ্তার হওয়ার পর লোকরান প্রথমে স্বামী হত্যার অভিযোগ স্বীকার করলেও পরে যখন মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ে তাঁকে (লোকরানকে) একজন সরকারি আইনজীবী দেয়া হয় তখন তিনি তা অস্বীকার করেন৷ সেই সময় তিনি দাবি করেন, তাঁর স্বামীর ভাই এই হত্যা করেছে, যিনি (স্বামীর ভাই) লোকরানকে কয়েকবার ধর্ষণ করেছেন৷ লোকরান বলেন, তাঁর স্বামীর ভাই তাঁকে প্রস্তাব দেন যে, তিনি (লোকরান) যদি স্বামী হত্যার অভিযোগ নিজের কাঁধে তুলে নেন তাহলে তাঁকে (লোকরান) ক্ষমা করে দেয়া হবে৷ উল্লেখ্য, ইসলামি আইন অনুযায়ী, নিহতের আত্মীয়স্বজন হত্যাকারীকে ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে ক্ষমা করে দিতে পারেন৷

অ্যামনেস্টির অভিযোগ, মামলার রায় দেয়ার সময় আদালত লোকরানের প্রথম স্বীকারোক্তিটি (যেটি তিনি কোনো আইনজীবীর সামনে দেননি) আমলে নিয়েছে৷ পরবর্তীতে আইনজীবীর সামনে যে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেটি আদালত বিবেচনায় নেননি৷

চলতি বছরের শুরুতে লোকরানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু লোকরান গর্ভবতী থাকায় (২০১৫ সালে তিনি কারাগারের এক সঙ্গীকে বিয়ে করেছিলেন) সেটি তখন স্থগিত করে বাচ্চা প্রসবের পর কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ গত মাসের ৩০ তারিখে লোকরান সন্তান প্রসব করেন৷ কিন্তু তার দুদিন আগেই সেই সন্তান মারা যায় বলে জানান চিকিৎসক৷ কারাগারের এক বন্ধুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় লোকরান যে শোক পেয়েছিলেন তাতেই বাচ্চার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷

এখন সন্তান প্রসব হয়ে যাওয়ায় যে-কোনো সময় লোকরানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে অ্যামনেস্টি৷

জেডএইচ/এসিবি (রয়টার্স, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল)

আপনার কি কিছু বলার আছে? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়