1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি স্থগিত

সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে ইরাকে জনশক্তি রপ্তানি আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার৷ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দেশটিতে কোনো জনশক্তি পাঠানো হবে না বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে৷

default

বাংলাদেশের ১৪,০০০ নাগরিক এখন ইরাকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন

বাংলাদেশ মনে করে ইরাকে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে৷ তাই পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে বাংলাদেশ থেকে কোনো জনশক্তি পাঠানো হবে না৷ পররাষ্ট্র দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনশক্তি রপ্তানির কাজ যে অবস্থায় আছে ঠিক সেখান থেকেই স্থগিত রাখতে হবে৷

বাংলাদেশের ১৪,০০০ নাগরিক এখন ইরাকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন৷ তাঁরা প্রধানত নির্মাণ শিল্পে কাজ করেন৷ তাঁদের সার্বক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷ আর তাঁদের সংঘাতপূর্ণ এলাকা এড়িযে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷ তবে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা এখন পর্যন্ত নিরাপদ এবং সুস্থ আছেন বলে পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে৷

Irak ISIL Freiwillige

বাংলাদেশ মনে করে ইরাকে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে

গত বছর বাংলাদেশ থেকে ইরাকে ৩০,০০০ জনশক্তি পাঠানোর জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে৷ পররাষ্ট্র দফতর জানায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওই শ্রমিক পাঠানোরও সব প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে৷

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকে বাংলাদেশি দূতাবাস পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে৷ আর বাংলাদেশ সরকারও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে৷ বাংলাদেশ আশা করছে ইরাক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তায় পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে৷ সেখানে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে একটি স্বার্থক সংলাপের প্রয়োজন বলে মনে করে বাংলাদেশ সরকার৷

এদিকে ইরাকে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা টেলিফোনে তাঁদের ভয় এবং আতঙ্কের কথা জানান৷ জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব আলী হয়াদার চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে জানান, সেখানে অবস্থানরতদের বড় একটি অংশই বাগদাদে রয়েছেন৷ তবে বাগদাদ আক্রান্ত হলে তাঁদের নিরাপত্তার কি হবে, তাঁদের কিভাবে সরিয়ে নেয়া হবে তা তাঁরা জানেন না৷ বিশেষ করে মসুল ও তিকরিক দখলের সময় সেসব এলাকায় অবস্থানরত বাংলাদেশিরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দেশে আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফোন করেন বলে তিনি জানান৷ তাঁরা অনেকেই এখন দেশে ফিরতে চাইছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়