1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইরাক

ইরাকে পাঁচ জার্মান নারীসহ ২০ জন আইএস-সমর্থক আটক

মোসুলে চলমান সামরিক অভিযানে পাঁচজন জার্মান মহিলাকে আটক করা হয়েছে৷ দৃশ্যত, তারা তথাকথিত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট-কে সহায়তা করার জন্যই ইরাকে গিয়েছিল৷

গত সপ্তাহে মোসুলের অবরুদ্ধ পুরাতন অংশে আইএস-এর ২০ জন নারী যোদ্ধাকে আটক করা হয়৷ তাদের মধ্যে রাশিয়া, তুরস্ক, ক্যানাডা, লিবিয়া,  চেচনিয়া ও পাঁচজন জার্মানির নাগরিক রয়েছে৷ সকলকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে৷

এক ইরাকি সামরিক কর্মকর্তা জার্মানির ‘ডি ভেল্ট' পত্রিকাকে বলেন যে, সংশ্লিষ্ট মহিলারা আইএস-এর নির্মিত একটি সুড়ঙ্গ প্রণালীর মধ্যে লুকিয়ে ছিল৷ তাদের যেখানে ধরা হয়েছে, সেখানে অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক বেল্ট ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে যা সম্ভবত ইরাকি সৈন্যদের উপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার করা হতো৷ প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, ধৃত মহিলারা আইএস-এর পুলিশবাহিনীর হয়ে কাজ করছিল৷

জার্মানির পূর্বাঞ্চল থেকে আসা কিশোরী

‘ডি ভেল্ট' পত্রিকার বিবরণ অনুযায়ী, যে পাঁচজন জার্মান মহিলা মোসুলে ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে জার্মানির স্যাক্সনি রাজ্যের এক ১৬ বছরের কিশোরীও আছে৷ মেয়েটি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ও বছর খানেক আগে বাড়ি থেকে উধাও হয়৷ ইতিপূর্বে সে ইন্টারনেটে আইএস সমর্থকদের সংস্পর্শে এসেছিল বলে প্রকাশ৷

স্যাক্সনি রাজ্যের রাজধানী ড্রেসডেনের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে, অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছিল, কিন্তু সে কোনোরকম উত্তর দিতে অস্বীকার করায় তদন্ত বন্ধ রাখা হয়৷ তবে মেয়েটি জার্মানিতে ফেরার পর তদন্ত আবার চালু হবে বলে মুখ্য কৌঁসুলি লোরেনৎস হাজে ‘ডি ভেল্ট' পত্রিকাকে জানিয়েছেন৷

জার্মানি থেকে ৯০০ জনের বেশি ইসলামপন্থি তথাকথিত ইসলামিক স্টেটকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে সিরিয়া ও ইরাক যাত্রা করেছে বলে ধরে নেওয়া হয়, তাদের মধ্যে একাধিক অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েও রয়েছে৷ 

আইএস দখল হারাচ্ছে

মোসুলবাসীদের আশঙ্কা, মোসুল আইএস-এর কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর এখানে অরাজকতার সৃষ্টি হবে, কেননা, আইএস-বিরোধী জোট প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ায় আইএস-এর মুখ্য ঘাঁটি রাকা মুক্ত করার দিকে নজর দেবে৷ মোসুলকে মুক্ত করার অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে৷ মোসুলে যারা ধরা পড়েছে ও পড়ছে, তারা নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত বিচার পাবে কিনা, তা আপাতত স্পষ্ট নয়৷ অপরদিকে বিচারের জন্য ধৃত ব্যক্তিদের স্বদেশে পাঠানো হবে কিনা সে বিষয়েও কিছু জানা যায়নি৷

এসি/এসিবি (ডিপিএ, ডি ভেল্ট)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়