1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরাকে আত্মঘাতী বোমা হামলায় পুলিশসহ নিহত ৩৩

ইরাকে বুধবার তিনটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ১০ জন পুলিশসহ ৩৩ জন নিহত হয়েছে৷ রোববার দেশটিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

default

বাকুবাতে প্রায়ই বোমা হামলার ঘটনা ঘটে

বাগদাদ থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তরে বাকুবা শহরে এ হামলায় ৫৫ জন আহত হয়েছে৷ হামলার পরপরই শহরটিতে কারফিউ জারি করা হয়৷ ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনী ইরাক দখলের পর থেকে বাকুবাতে সুন্নি সন্ত্রাসীদের প্রভাব দেখা যাচ্ছে৷

উল্লেখ্য, ইরাকে আল কায়েদার নেতা আবু ওমর আল-বাগদাদি গত মাসে নির্বাচন বানচাল করার হুমকি দেয়ার পর এই হামলা চালানো হলো৷ বাগদাদি বলেন, এ নির্বাচন হলো একটি রাজনৈতিক অপরাধ, যা শিয়াদের পরিকল্পিত৷

২০১১ সালের পর মার্কিন বাহিনী ইরাক থেকে পুরোপুরি চলে যাবে কি না তা নির্ধারণে এই নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ২০০৩ সালে সাদ্দাম হুসেনের সরকার উত্খাতের পর ইরাকে এটা দ্বিতীয় নির্বাচন৷

Anschlag in Bakuba, nordöstlich von Bagdad

বাকুবা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্থানীয় আবাসন কার্যালয়ের সামনে একটি ও ট্রাফিক ইন্টারসেকশনের কাছে আরেকটি গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে৷ এরপর আহতদের নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় পুলিশের পোশাক পরা একজন আত্মঘাতী হামলাকারী অ্যাম্বুলেন্সে উঠে যায়৷ এরপর হাসপাতালে গিয়ে জরুরি বিভাগের সামনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়৷ আহতদের দেখতে পুলিশ প্রধান সেখানে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের একজন মুখপাত্র৷ তবে ভাগ্যক্রমে পুলিশ প্রধানের কিছু না হলেও তাঁর নিরাপত্তা বিধানে কর্মরত পুলিশের কয়েক সদস্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে৷

আহত এক পুলিশ সদস্য হাসান তামিমি বলেছে, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করার কিছুক্ষণ পরই পুলিশ প্রধান তাদের দেখতে সেখানে যান৷ তিনি বলেন, আমি নিজে একজন আহত মানুষকে নিয়ে জরুরি বিভাগে ঢোকার সময় দরজাতেই বিস্ফোরণটি ঘটে৷ মার্কিন ও ইরাকী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালটি ঘিরে রেখেছে৷

প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির উপদেষ্টা আলি আল-মুসাভি বলেছেন, রোববারের নির্বাচন বানচাল করার পরিকল্পনা হিসেবেই সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে৷ কারণ এ নির্বাচন তাদের জন্য হুমকিস্বরূপ৷ এজন্য তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে৷ এ ধরণের হামলা চালিয়ে তারা জনসাধারণকে ভয় পাওয়াতে চাচ্ছে যেন তারা ভোট দিতে না যায়৷

দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সাফা হুসেইন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, যেসব গোষ্ঠী রোববারের নির্বাচনের জন্য হুমকিস্বরূপ তাদের মধ্যে আল কায়েদাই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী৷

উল্লেখ্য, এর আগে গতমাসের ৫ তারিখে পবিত্র শহর কারবালায় এক ধর্মীয় শোক অনুষ্ঠানে হামলায় ৪১ জন শিয়া নিহত হয়৷

প্রতিবেদন : জাহিদুল হক

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়