1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইরাকের মসুল যেন আতঙ্কের নগর, শহর ছাড়ছে লাখো মানুষ

ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর মসুল দখল করে নিয়েছে ইসলামি ‘সন্ত্রাসবাদী সংগঠন' আইএসআইএল৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকি৷ আতঙ্কে শহর ছাড়ছেন লাখো মানুষ৷

ঝটিকা আক্রমণে মসুল নগর দখল করে নিয়েছে সুন্নিদের সংগঠন আইএসআইএল৷ তাদের বিরুদ্ধে ইরাকি সেনাবাহিনী দৃশ্যত কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা কর্মকর্তা এ অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে বলেছেন, ‘‘আমরা তাদের হারাতে পারবো না৷ রাস্তায় লড়াই করায় ওরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত৷ আমাদের সেরকম কোনো প্রশিক্ষণ নেই৷ ওদের মসুল থেকে হঠাতে হলে পুরো সেনাবাহিনীকে মাঠে নামাতে হবে৷'' কিন্তু মেসুলের সাধারণ নাগরিক মাহমুদ নূরী বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘সেনা সদস্যরা লড়াইয়ের কোনো চেষ্টা না করেই অস্ত্র সমর্পন করেছেন৷ তারপর তাঁরা পোশাক বদলে শহর ছেড়ে চলে গেছেন৷ আমরা কোনো পক্ষকে একটা গুলিও ছুড়তে দেখিনি৷''

মসুল আইএসআইএল-এর দখলে চলে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকি জরুরি মন্ত্রী পরিষদ বৈঠক আহ্বান করেন৷ বৈঠকের পর মসুল শহরকে ‘সন্ত্রাসীমুক্ত' করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘‘সরকার কখনোই মসুল এবং নিনেভেতে সন্ত্রাস এবং সন্ত্রাসবাদের কালো ছায়া মেনে নেবে না৷''

এ সময় তিনি সাধারণ জনগণের প্রতিও আইএসআইএল-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান৷ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো সেনাসদস্য নিষ্ক্রিয় থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি৷

গত এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুননির্বাচিত হন নুরি আল-মালিকি৷ ইরাককে বিচ্ছিন্নতাবাদীমুক্ত করার অঙ্গীকার করে দ্বিতীয় দফা প্রধানমন্ত্রী হবার দু'মাসের মধ্যেই সুন্নীদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আইএসআইএল-র দখলে চলে গেল নিনেভে রাজ্যের রাজধানী মসুল৷ ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষের শহরটি এখন আতঙ্কের জনপদ৷ অভিবাসন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইওএম-এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫ লাখ মানুষ প্রাণভয়ে মসুল ছেড়েছে৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন