1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ইন্দোনেশিয়ায় বনায়নের নতুন উদ্যোগ

জাহাজ, গাড়ি, বিমান বা ট্রেন চলাচলের কারণে পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে বনভূমি ধ্বংসের কারণে৷ পৃথিবীতে প্রতি বছর গড়ে গ্রিসের আয়তনের সমান বনভূমি ধ্বংস হচ্ছে৷ এখন অবশ্য বনায়নের নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে৷

ইন্দোনেশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জঙ্গলে ঘন সবুজ গাছপালা আর বিভিন্ন প্রাণীর দেখা মেলে৷ আর এই সবুজের বড় শত্রু বাওয়ালরা৷ প্রতি কিউবিক মিটার কাঠ সংগ্রহ করে তারা আয় করে বিশ ইউরোর মতো৷

অর্থ আয়ে তারা সংরক্ষিত বন থেকেও অবৈধভাবে গাছ কাটে৷ এমনকি জার্মান-ইন্দোনেশীয় বন প্রকল্পের কর্মকর্তারাও তাদের ঠেকাতে পারে না৷ প্রশ্ন হচ্ছে, বাওয়ালরা কি জানে এটা অবৈধ? তাদের পুলিশ ধরতে পারে৷

এক করাতির বলেন, ‘‘অবশ্যই আমরা ভীত''৷ হাসতে হাসতে একথা বলেন করাতি৷ কেননা তিনি জানেন, পুলিশ ঘুস নেয়৷

বন প্রকল্পের কর্মকর্তা সোলিচিন সহকর্মীদের সহায়তায় অবৈধ গাছ কাটা বন্ধ করতে চান৷ ২৪ হাজার হেক্টর বনের দায়িত্ব সরকার তাদের দিয়েছে৷ এই বন রক্ষা করতে চান সোলিচিন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কী পরিমাণ কার্বন আছে এবং দাবানলসহ নানা কারণে কী পরিমাণ কার্বন কমার শঙ্কা রয়েছে তা জানলে হিসেব সহজ হয়৷ আমরা বুঝতে পারি, কতটা কার্বন জমা করা যেতে পারে এবং পরবর্তীতে কতটা কার্বন ক্রেডিট হিসেবে বিক্রি করা যাবে৷''

বড় বড় শিল্পসংস্থাগুলো বর্তমানে তাদের কার্বন ফুটপ্রিন্ট উন্নয়নে কার্বন ক্রেডিট কিনে নেয়৷ আর তা বিক্রি করে প্রকল্পের জন্য অর্থ আয় এবং বন রক্ষা সম্ভব হয়৷ সোলিচিনের সহকর্মীদের কাছে এটা অর্থ আয়ের নতুন উপায়৷ আগে তারা অবৈধভাবে কাঠ কাটতো৷ এখন বন থেকে গাছের চারা সংগ্রহ করে গ্রামে নিয়ে যায়৷

গ্রামের নাম বিনা ডেসা৷ ১৫০ জন মানুষের এই গ্রামে একটি নার্সারি রয়েছে৷ বন থেকে আনা চারা এখানে তিন মাস ধরে বড় করা হয়৷ তারপর বন প্রকল্পে সেগুলো রোপণ করা হয়৷ পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের প্রকল্প পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলেও চালু করা সম্ভব৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক