1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ইন্টারনেটে মহিলা: স্টার্ট-আপের স্রষ্টা বা প্রোগ্রামার

মহিলারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করতে শিখছেন, নিজেদের স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠা করছেন, ইন্টারনেট মহিলাচক্রে নিজেদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অন্য মহিলাদের দিচ্ছেন: সুন্দর ভবিষ্যতের কল্পনা? বার্লিনে তা ইতিমধ্যেই বাস্তব৷

কানিনি মুটোনি পাঁচ বছর আগে বার্লিনে ‘মাইঅ্যাজিমিয়া' নামের একটি স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠা করেন৷ আজ তাঁর প্যারিসেও অফিস রয়েছে৷ কানিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লোন, অর্থাৎ ঋণের ব্যবস্থা করেন – তবে কোনো ব্যাংকের সাহায্য ছাড়াই৷ সদ্য তিনি লন্ডনে বিনিয়োগকারীদের তাঁর অনলাইন প্ল্যাটফর্মটির ভালোমন্দ বুঝিয়েছেন৷

কানিনি এ যাবৎ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোনো পুঁজি পাননি, তবে শীগগিরই আরো একটি মিটিং হতে চলেছে, যা একটা ভালো লক্ষণ বলে কানিনি মনে করেন৷ আদতে নাইরোবির বাসিন্দা কানিনি পরে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশুনা করেন, যুক্তরাষ্ট্রে ও ব্রিটেনে বিভিন্ন ব্যাংকের হয়ে কাজ করেন৷ সাম্প্রতিক আর্থিক সংকটের সময় তিনি সে কাজ ছেড়ে দেন৷ আজ তিনি মহিলা ব্যবসায়ীদের ইন্টারনেটের জগতে পা রাখার সাহস যোগান৷ কানিনি বলেন:

‘‘আমরা মহিলারা অন্যরকম, পুরুষদের মতো নই৷ পুরুষরা কোনো কিছু না বুঝলেও তা করতে পারে, সে সম্পর্কে কথা বলতে পারে, যেন তারা সত্যিই সব কিছু বোঝে৷ মহিলারা কোনো কিছু করার আগে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চান৷ কিছু করার আগে আমাদের শতকরা ১০০ ভাগ জানা চাই, বোঝা চাই৷''

‘জিকেটস'-এর জেস

জেস এরিকসন-এর সঙ্গে কানিনির আলাপ এই বার্লিনে৷ জেস একটি ইন্টারনেট মহিলাচক্রের প্রতিষ্ঠাতা৷ দু'জনে মিলে ইন্টারনেট শাখায় মহিলাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সেমিনার ও মেন্টরিং প্রোগ্রামের আয়োজন করেছেন৷ জেস এরিকসন গতবছর ডয়চে টেলিকম সংস্থাকে স্পনসর হিসেবে যোগাড় করেন৷

কিন্তু মহিলাদের বিশেষ উৎসাহ প্রদানের প্রয়োজন পড়বে কেন? কানিনি বলেন:

‘‘টেক সিন-এ এত কম মহিলা আছেন যে, সাহায্য নেওয়ার, মেন্টর খোঁজার দরকার পড়ে৷ কাজেই আমরা এমন কোনো মহিলাকে খুঁজে বার করি, যিনি ঐ কাজটা আগে করেছেন৷ তার ফলে একটা বিরাট সুবিধা হয় বলে আমার ধারণা৷''

‘জিকেটস' মহিলাচক্রের প্রতিষ্ঠাতা জেস এরিকসন বলেন:

‘‘মহিলাদের প্ল্যাটফর্মটা একটা ভালো স্টেপিং স্টোন, মানে ওপরে ওঠার রাস্তা হতে পারে৷ কালে আমরা এ সব কাজ মহিলা এবং পুরুষদের সংমিশ্রণে করবার আশা রাখি৷ আমরা এ ধরনের ইভেন্টকে শুধুমাত্র ‘মহিলাদের জন্য' করে রাখতে চাই না – সেটা আমাদের লক্ষ্য নয়৷ আমাদের লক্ষ্য হলো মহিলারা যাতে সহজ বোধ করেন, উপলব্ধি করেন যে, তাঁরা তাদের চারপাশের মানুষজনের সঙ্গে ‘রিলেট' করতে পারছেন, নিজেদের কর্মক্ষমতায় তাঁদের আস্থা আসে৷ যাতে তাঁরা এই সেমিনার থেকে বেরিয়ে নিজেদের কাজ করে যেতে পারেন৷''

কমিশনার নেলি ক্রুস

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার নেলি ক্রুস-ও সেটাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন৷ মহিলাদের আরো বেশি করে টেকনিকাল পেশাগুলোতে আসা উচিত৷ কমিশনার নেলি ক্রুস ইইউ-তে ডিজিটাল কর্মসূচি এবং টেলিকমিউনিকেশন-এর দায়িত্বে আছেন৷ বার্লিনে একটি সফরের অবকাশে নেলি ক্রুস জেস এরিকসন ও তাঁর নেটওয়ার্কের সঙ্গে পরিচিত হবার সুযোগ নিয়েছেন৷ কমিশনার ক্রুস স্বয়ং বহুদিন ধরে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণের প্রবক্তা হিসেবে কাজ করে আসছেন৷ নেলি ক্রুস বলেন:

‘‘বৈচিত্র্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, পরস্পরকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করা, এটা হলো ‘টিম ওয়ার্ক' – এবং তা খুবই ইন্টারেস্টিং৷ জেস যে বার্লিনে আছেন, তার ফলে নানা ধরনের স্টার্ট-আপ শুরু হয়েছে৷''

আয়োজন সর্বত্র৷ যেমন একটি প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা৷ সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং-এ সাধারণত মহিলাদের খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না – কিন্তু এখানে মহিলাদের সংখ্যাই বেশি৷ জেস এরিকসন-এর নেটওয়ার্ক এই প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা, স্পন্সর করেছে জার্মান সফটওয়্যার সংস্থা এসএপি৷ জেস এরিকসন বলেন:

‘‘আমি সব মহিলাকে বলি, শেখার কোনো বয়স নেই৷ অনেক মহিলা এক বছরের মধ্যে প্রোগ্রামিং শিখে জুনিয়র ওয়েব ডেভেলপার হয়ে গেছেন৷ কাজেই আমি বলি, তোমার বয়স যাই হোক না, তুমি কোডিং করা শিখতে পারো৷ আর সেটা যদি তোমার ভালো লাগে, তাহলে সে কাজ চালিয়েও যেতে পারো৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়