1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইটালিতে বাড়ছে হাতে বানানো জুতা তৈরির কদর

একসময় হাতে তৈরি জুতার যে কদর ছিল, আজ তা হারাতে বসেছে৷ তবে ইটালিতে বাড়ছে এর চাহিদা৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা সেখানে আসছে মুচির কাজ শিখতে৷

আঞ্জেলো ইমপেরাত্রিস, বয়স ৭৫৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্লোরেন্সে এই ব্যক্তির কাছে সবাই আসে জুতা তৈরির কাজ শিখতে৷ জলহস্তী থেকে হাঙর – নানা প্রাণীর চামড়া থেকে হাতে সেলাই করে তিনি জুতা তৈরি করেন৷ ইমপেরাত্রিস যে সব শিক্ষার্থীদের জুতা তৈরির কারিগর বা মুচি হিসেবে গড়ে তুলেছেন, তাদের এক-একটি জুতা আজ বিক্রি হয় ৩ থেকে ৪ হাজার ইউরো দামে৷

নাইজেরিয়া থেকে বুকোলা আসাফা যেমন কাজ শিখতে এসেছেন, তেমনি সৌদি আরব থেকে এসেছেন ডানা আলসেইফ৷ অতীতে কোনো লেখাপড়া বা পুঁথিগত শিক্ষা ছাড়াই জুতা তৈরি করতেন মুচিরা৷ কিন্তু এখন ইমপেরাত্রিসের শিক্ষার্থীরা কেউ স্নাতক পর্যায় শেষ করেছেন আবার কেউবা শেষ করেছেন এমবিএ৷ তারপর এসেছেন এ বিষয়ে শিক্ষা নিতে৷

Bildergalerie Traditionelle Schuhe im Iran

বাহারি জুতা

বুকোলা জানালেন, তিনি লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে লাগোসে ব্যাগ তৈরির কোম্পানি খুলেছিলেন৷ আর এখন তিনি ইমপেরাত্রিসের কাছে ইটালির ঐতিহ্যবাহী জুতা তৈরির প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন৷

ইমপেরাত্রিসের জন্ম ইটালির দক্ষিণাঞ্চলে বাসিলিকাটা এলাকায়, যেটা একসময় মুচি ও জুতা তৈরির কারিগরদের কাজে মুখরিত হয়ে থাকত৷ সম্প্রতি হাতে তৈরি জুতার ফ্যাশান উঠে গেছে৷ কিন্তু এখনকার প্রজন্ম পুরোনো সেই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী৷ আকাডেমিয়া রিয়াচি নামে ইমপেরাত্রিসের প্রতিষ্ঠানে আট সপ্তাহের কোর্স আছে৷ একবারে আট জন শিক্ষার্থীকে সেখানে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়৷ প্রতি কোর্সের জন্য দিতে হয় ৫ হাজার একশ ইউরো৷

ইমপেরাত্রিস জানালেন, শিক্ষানবীশ হিসেবে যারা চার বছর ধরে বিনা বেতনে কাজ করে গেছে, আজ তারাই নিজেদের তৈরি এক একটি জুতা বিক্রি করছে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ইউরোতে৷

ইমপেরাত্রিসের এই কাজ জুতা তৈরির শিল্পকে যেমন বাঁচিয়ে রাখছে, তেমনি অর্থনৈতিক মন্দার হাত থেকে কিছুটা রক্ষা করছে ইটালিকে৷

এপিবি/এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন