1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইটালিতে ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি হুমকির মুখে

অভাব-অনটনের কারণে ইটালি সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ এতটাই কমিয়ে দিয়েছে, যে ইউনেস্কো সে দেশের সরকারকে হুঁশিয়ারি দিতে বাধ্য হয়েছে৷ সরকার জানিয়েছে, পম্পেই-এর মতো ঐতিহাসিক নিদর্শনের সুরক্ষায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷

সরকারি কোষাগারে টান পড়লেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়, কোন ক্ষেত্রে কাটছাঁট করা হবে৷ ভোটারদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, এমন বিষয়গুলি প্রথমে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেন নেতারা৷ ফলে নজর পড়ে অন্যান্য খাতের উপর৷ যেমন সংস্কৃতি৷ গান-বাজনা, নাটক-থিয়েটার – এসবে কারো পেট ভরে না৷ অতএব অনুদান কমালে কিছু প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভোটাররা তেমন রুষ্ট হন না৷

কিন্তু দেশটির নাম ইটালি হলে বিষয়টি অন্য মাত্রা পায় বৈকি৷ ইটালি মানেই সংস্কৃতি৷ সেই সংস্কৃতি শুধু ইটালি নয় – গোটা ইউরোপে, গোটা বিশ্বেই সমাদৃত৷ দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক নিদর্শন৷ যেমন রোমের কলোসিয়াম থেকে শুরু করে রোমান যুগের পম্পেই নগরের ধ্বংসাবশেষ৷

FILE - The ancient Greek Temple of Juno in Agrigento, Sicily, seen in this 1997 file photo, is one of the ten cultural and natural gems proposed by Italy, which won entry on UNESCO's World Heritage list during the U.N. agency's conference in Naples Thursday December 4, 1997. All ten Italian sites won entry amoung which the ruins in Pompeii, the Amalfi coast, the Greek mosaics near Enna, Sicily, making them eligible for UNESCO funding for restoration and improved security. (AP Photo/Alessandro Fucarini/File)

আর্থিক অনটন সত্ত্বেও ইটালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সুরক্ষা সম্ভব হবে, এমনটাই আশা করবে বিশ্বের মানুষ (ফাইল ফটো)

কিন্তু এ সব মনুমেন্ট থাকলে সেগুলি রক্ষণাবেক্ষণও করতে হয়৷ তার খরচও কম নয়৷ দেশের আর্থিক দুর্দিনে সরকার তাই ব্যাপক মাত্রায় খরচ কমিয়েছে৷ সংস্কৃতিমন্ত্রী মাসিমো ব্রাই নিজে স্বীকার করেছেন, গত ৫ বছরে সংস্কৃতি বাজেট প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমানো হয়েছে৷ ফলে ইউরোপের বাকি দেশগুলির তুলনায় সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ইটালির সরকারি ব্যয় অনেক কমে গেছে৷ ইটালির সরকার বাজেটের মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ সংস্কৃতির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে৷ আরেক সংকটগ্রস্ত দেশ আয়ারল্যান্ড একই খাতে ৭.৪ শতাংশ ব্যয় করে৷ স্পেনের ক্ষেত্রে এর মাত্রা ৩.৩ শতাংশ, ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ২.৫ শতাংশ৷

এমন অবস্থায় প্রমাদ গুনছে জাতিসংঘের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো৷ ইটালিতে তাদের জাতীয় কমিশনের প্রধান জোভানি পুলিয়িসি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিশেষ করে পম্পেই নগরের সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে৷ প্রায় ২,০০০ বছর আগে অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল সেই শহর৷ প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে সেই যুগের নিদর্শন আবার স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷ দলে দলে পর্যটক আসেন পম্পেই সহ ইটালির ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি দেখতে৷ তাদের কারণেও বিশাল আয় হয়৷ ফলে ইটালির সরকার ইউনেস্কো-কে আশ্বাস দিয়ে বলেছে, পম্পেই নগরীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷

আর্থিক অনটন সত্ত্বেও ইটালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সুরক্ষা সম্ভব হবে, এমনটাই আশা করবে বিশ্বের মানুষ৷

এসবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন