1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইউরো এলাকার উপর কালো ছায়া

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবি-র পূর্বাভাষ অনুযায়ী চলতি ও আগামী বছরে ইউরো এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়াবে ১ শতাংশের মতো৷ ফলে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকই আবার রক্ষাকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে বলে আশা৷

ইসিবি মঙ্গলবার ২০১৪ ও ২০১৫ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষের মাত্রা আরও কমিয়ে দেওয়ায় বাজারে আরও ধস নেমেছে৷ মাত্র ১ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি বর্তমান সংকট কাটানোর পক্ষে যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ এমনকি জার্মানির প্রবৃদ্ধির হারও প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়ছে না৷ ফ্রান্স ও ইটালিও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না৷ ফলে বাজার আবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককেই রক্ষাকর্তার ভূমিকায় দেখতে চাইছে৷

ইসিবি নানা স্তরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে৷ সেই সঙ্গে ইউরো এলাকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের উদ্দেশ্যেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবার ডাক দিচ্ছে৷ অর্থাৎ তাদেরও সরকারি ব্যয় ও কাঠামোগত সংস্কার নীতি গ্রহণ করতে হবে৷ তবেই ফল দেখা যাবে৷ সদ্য গঠিত ইউরোপীয় কমিশনও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ও কর্মসংস্থান বাড়াতে পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে৷

চলতি সপ্তাহের বৈঠকে ইসিবি কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা করবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ তবে সুদের হার এমনিতেই সবচেয়ে কম মাত্রায় রয়েছে, ফলে সে ক্ষেত্রে নতুন করে কিছু করার নেই৷

Einkaufstüte mit Euro Symbol

ইউরোপের বাজারে আরও ধস নেমেছে

শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত তেমন কোনো বড় সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করতে পারে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক৷ তাছাড়া মঙ্গলবার থেকে ব্যাংকিং সুপারভাইজার-এর দায়িত্ব গ্রহণ করেছে ইসিবি৷ ফলে নতুন করে ব্যাংকিং সংকটের আশঙ্কা দূর হলো বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ইউরো এলাকায় ব্যাংকিং ইউনিয়ন গড়ে তোলার পথে এটা অন্যতম পদক্ষেপ৷

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষ কমে যাওয়ায় ইউরোপীয় নেতাদের উপর চাপ আরও বেড়ে গেছে৷ ইউরো এলাকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি – অর্থাৎ যথাক্রমে ফ্রান্স ও ইটালিকে নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না৷ দুই দেশের সরকারই নানা কারণে দ্রুত ও যথেষ্ট সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারছে না৷ ফ্রান্সের বিপুল ঋণভার কমাতে হলে ব্যয় সংকোচ করতে হবে, যা মোটেই জনপ্রিয় হবে না৷ ইটালির অর্থনীতির সংকোচন ঘটছে৷ আগামী বছর অবশ্য আবার প্রবৃদ্ধির আশা রয়েছে৷ তবে আশার কথা, স্পেনের অর্থনীতি ধীরে হলেও উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে৷

এদিকে পর পর প্রায় চার সপ্তাহ ধরে মোটামুটি চাঙ্গা থাকার পর সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজারে দরপতন ঘটেছে৷ অ্যামেরিকা ও চীনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও ইউরোপের অর্থনীতির নেতিবাচক প্রবণতাই এর প্রধান কারণ৷ বিশেষ করে উৎপাদন ক্ষেত্রের অবস্থা খুবই দুর্বল৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন