1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

‘ইউরোপে প্রবৃদ্ধি আনতে পারে জার্মানি ও ফ্রান্স’

মন্দা কাটিয়ে ইউরোপে প্রবৃদ্ধি আনার পথে বড় অন্তরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের চালিকা শক্তি জার্মানি ও ফ্রান্স – ইইউ অর্থনীতি বিষয়ক কমিশনর অলি রেন-এর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে৷

Sparschwein (Fotolia: #38461692); © Fotolia/Guido Grochowski

প্রতীকী ছবি

প্রায় ১৮ মাসের মন্দা কেটে গেলেও প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ইউরোপের সময় লাগছে৷ এই অবস্থায় ইউরো এলাকার মধ্যে অর্থনৈতিক নীতির আরও সমন্বয়ের উপর জোর দিচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন৷ ইইউ অর্থনীতি বিষয়ক কমিশনর অলি রেন মনে করেন, ফ্রান্স ও জার্মানির মতো বড় দেশকেও নীতিমালা মেনে চলতে হবে৷

বিশেষ করে জার্মানির রপ্তানি-নির্ভর অর্থনীতির বিপুল সাফল্য অন্যান্য দেশগুলির ক্ষতি করছে বলে সমালোচনা করেছেন রেন সহ অনেকেই৷ সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানির ‘ট্রেড সারপ্লাস' বা বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল প্রায় ১,৮৯০ কোটি ইউরো৷ মূলত ইইউ দেশগুলিতে রপ্তানি করেই এই সাফল্য পাচ্ছে জার্মানি৷ ফলে সেই সব দেশের কোনো উপকার হচ্ছে না৷ এদিকে জার্মানির ভোক্তাদের চাহিদা তেমন না বাড়ার ফলে ইউরোপীয় দেশগুলির পণ্য ও পরিষেবা সেখানে বিক্রি হচ্ছে না৷ এই মডেলের বিরুদ্ধে সমালোচনা বেড়ে চলেছে৷ অলি রেন মনে করেন, জার্মানি অর্থনীতির এই কাঠামোয় পরিবর্তন আনলে এবং ফ্রান্সে বকেয়া সংস্কার শুরু করতে পারলে তবেই ইউরোপের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে৷

জার্মানিতে এই মুহূর্তে আগামী জোট সরকার গড়ার প্রস্তুতি চলছে৷ তবে আর্থিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা মোটামুটি বজায় থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ আঙ্গেলা ম্যার্কেল-এর সরকার মনে করে, জার্মান অর্থনীতির সাফল্যের পেছনে রয়েছে সঠিক সময়ে সংস্কার ও সরকারি ব্যয়ে লাগাম রাখার সিদ্ধান্ত, যা বাকিদেরও অনুসরণ করা উচিত৷ অর্থাৎ শুধু রপ্তানি কমিয়ে বাকিদের সমস্যার সমাধান করা যাবে না বলে মনে করে জার্মানি৷

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড-এর প্রাক্তন প্রধান অ্যালেন গ্রিনস্প্যান সম্প্রতি ফ্রাংকফুর্টে বলেছেন, ইউরো-র দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য চাইলে ইউরোপকে রাজনৈতিক ইউনিয়নের পথে এগোতে হবে৷ শুধু একক মুদ্রা ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন এমন একটি কাঠামো ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট নয়৷ উল্লেখ্য, জাতীয় স্তর থেকে ক্ষমতা ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে ইইউ-র জন্মলগ্ন থেকে তর্ক-বিতর্ক চলে আসছে৷

এদিকে সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজার বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল৷ বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতি সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য এর অন্যতম কারণ৷ অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, পুঁজিবাজারে শেয়ার কেনার প্রবণতা বাড়তে চলেছে৷ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সপ্তাহে সুদের হার আরও কমানোর ফলে ইউরো-র বিনিময় মূল্যও সোমবার বেড়ে গেছে৷ তবে মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে আবার কিছুটা দরপতন ঘটেছে৷

এসবি / এআই (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়