1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে নারীদের সংখ্যা নগণ্য

আঙ্গেলা ম্যার্কেল ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে স্বীকৃত৷ তবে ইউরোপের নারীদের কাছে তাঁর দৃষ্টান্ত ব্যতিক্রম ছাড়া কিছু নয়৷ সেখানে উঁচু পদে নারীদের সংখ্যা এখনো খুবই বিরল৷

সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে উঁচু পদে আরও বেশি সংখ্যক নারী প্রয়োজন – রাজনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য জগতের প্রায় সব নেতাই বার বার এ কথা বলেন৷ কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তার প্রতিফলন দেখা যায় না৷ যেমন আগামী পাঁচ বছর ইউরোপীয় কমিশনের শীর্ষ পদগুলিতে কাদের দেখা যাবে, শনিবার তা চূড়ান্ত করবেন ইউরোপীয় নেতারা৷ এই কমিশনর বা ‘মন্ত্রী'-দের মধ্যে নারীর সংখ্যা আগের মতো নগণ্যই থাকতে চলেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷ প্রতিটি ইইউ শীর্ষ সম্মেলনের ‘গ্রুপ ফটো'-তেও একই দৃশ্য৷ ধূসর কোট-প্যান্ট পরা মাঝবয়সি পুরুষদের ভিড়ে হাতে-গোনা কয়েকজন নারীকে দেখা যায়৷

ইউরোপীয় কমিশনের আগামী প্রেসিডেন্ট জঁ-ক্লোদ ইয়ুংকার বলেছেন, তিনি তাঁর ‘মন্ত্রী'-দের মধ্যে যত বেশি সম্ভব নারীদের দেখতে চান৷ বিদায়ী কমিশনে ২৮ জন কমিশনরের মধ্যে ন'জন নারী ছিলেন৷ যাবার আগে তাঁরা উত্তরসূরি হিসেবে কমপক্ষে ১০ জন নারীকে দেখতে চান৷ এই মর্মে তাঁরা ইয়ুংকারকে এক যৌথ বিবৃতি পাঠিয়েছেন৷ অথচ নতুন কাঠামোয় এখনো পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন নারীর কথা শোনা যাচ্ছে৷

ইইউ-র ২৮টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে শুধু সুইডেন, বুলগেরিয়া, ইটালি, চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভেনিয়া তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নারীদের মনোনীত করেছে৷ তবে এখনো কয়েকটি পদ সম্পর্কে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে৷ যেমন ইটালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেডেরিকা মোগেরিনি ইইউ পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান হতে পারেন৷ সে ক্ষেত্রে জেনিফার অ্যাশটনের পর আবার একজন নারী সেই পদ পেতে পারেন৷

শনিবার কমিশনরদের মনোনীত করা হলেও তাঁদের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট৷ প্রয়োজনে পার্লামেন্ট বেঁকেও বসতে পারে৷ স্পিকার মার্টিন শুলৎস এরই মধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, পার্লামেন্ট মোটেই এক ‘‘জেন্টলমেন'স ক্লাব'' মেনে নেবে না৷ এই অবস্থায় সমস্যায় পড়েছেন ইয়ুংকার৷ জাতীয় সরকারগুলি যদি নারীদের নাম প্রস্তাব না করে, সে ক্ষেত্রে তাঁর পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন৷ তাই তিনি নিজের ক্ষমতার মধ্যে যেখানে সম্ভব উচ্চ পদে নারীদের নাম প্রস্তাব করতে চান৷ ইউরোপীয় কাউন্সিলের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হ্যার্মান ফান রম্পয়ের জায়গায় আসতে পারেন ডেনমার্কের প্রধনমন্ত্রী হেলে টর্নিং৷

মোটকথা, অনেক দর-কষাকষির পর শেষ পর্যন্ত ইউরোপীয় শাসনযন্ত্রে নারীদের সংখ্যা সামান্য বাড়তে পারে৷ তবে সেটা ৫০ শতাংশ ছোঁয়ার কোনো সম্ভাবনা আজও নেই৷

এসবি/ডিজি (এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়