1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইউরোপের অর্থনীতি নিয়ে আবার দুশ্চিন্তা

ইউক্রেন সংকটের জের ধরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিসহ বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকেটর বেশ বড় রকমের প্রভাব পড়ছে ইউরোজোনের উপরেও৷ ফলে ইউরোপের অর্থনীতি অন্তত এ মুহূর্তে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না৷

চলমান আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ ইউরো এলাকার অর্থনীতির উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলছে৷ মন্দা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর নির্ভরতা ইউরো এলাকার জন্য মোটেই সুখকর হচ্ছে না৷ ইউক্রেন সংকটের ফলে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির ঘটনা কয়েক মাস আগেও অনুমান করা যায়নি৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও কয়েকটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশে চাহিদা কমে যাওয়ার ফলেও ইউরো এলাকা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না৷ শুধু ব্রিটেন ও চীনে ইউরোপ থেকে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে৷ ইউরোর উচ্চ বিনিময় মূল্যকেও রপ্তানির পথে অন্তরায় হিসেবে দায়ী করছে ব্যবসায়ী মহল ও কিছু দেশের সরকার৷

এদিকে ইউরো এলাকার চালিকা শক্তি বলে পরিচিত জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷ তাদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে জার্মান অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ তবে এই কালো ছায়া কেটে যাবে বলে আশা করছে বুন্ডেসবাংক৷ চলতি বছরে জার্মানিতে ১.৯ শতাংশ এবং ২০১৫ সালে ২ দশমিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাষ দিয়েছে তারা৷ উল্লেখ্য, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান মারিও দ্রাগিও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংকটগুলি সম্পর্কে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেন৷

প্রয়োজনীয় সংস্কার চালিয়ে পর পর চারটি কোয়ার্টার বা প্রায় এক বছর ধরে ধীরে হলেও মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছিলো গ্রিস সহ ইউরো এলাকার সংকটগ্রস্ত দেশগুলি৷ বর্তমান আন্তর্জাতিক সংকটের ফলে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ তবে আগের মতো আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণ দেখছেন না বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ৷ অর্থাৎ মন্দার আশঙ্কা আপাতত নেই৷ ইটালি ও ফ্রান্স সংস্কারের ক্ষেত্রে যে শিথিল মনোভাব দেখাচ্ছে, তা কেটে গেলেও ইউরো এলাকার উপকার হবে৷ এই দুই দেশই এই মুহূর্তে ইউরোজোনের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ৷

এই অবস্থায় সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজার বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল৷ ইউক্রেন ও ইরাক সংকট কিছুটা শান্ত থাকায় বাজার আবার আশ্বস্ত হয়েছে৷ তবে রাশিয়া ও ইউরোপ পরস্পরের উপর যে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে, তার কুফল দেখা যাচ্ছে অর্থনীতির উপর৷ গত জুন মাসেই রপ্তানির হার কিছুটা কমে গেছে৷ শুক্রবার ইউরো-র বিনিময় মূল্যও কিছুটা পড়ে গেছে৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ, এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়