1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ইউরোপীয় মহাকাশফেরির স্বপ্ন

মার্কিন ‘স্পেস শাটল' বা মহাকাশফেরি কর্মসূচির বন্ধ হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার ‘সোইয়ুজ'-ই মাহাকাশে মানুষ পাঠানোর একমাত্র উপায়৷ অন্যান্য মহাকাশ পরাশক্তির মতো ইউরোপও মহাকাশফেরি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে৷

ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩২০ কিলোমিটার উপরে মিনি শাটল রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হলো৷ নিয়ন্ত্রিত এক বিস্ফোরণের পর ‘ইন্টারমিডিয়েট এক্সপেরিমেন্টাল ভেহিকল আইএক্সভি' আরও উপরে উঠে গেল৷ মহাকাশ থেকে সহজে পৃথিবীতে ফিরে আসার প্রযুক্তির পরীক্ষাই ছিল এর লক্ষ্য৷

এই লক্ষ্যে ৫ মিটার লম্বা স্বয়ংক্রিয় হাইটেক মহাকাশযান গড়ে তোলা হয়েছে৷ এক জটিল সিস্টেম তার অবস্থান ও দিকনির্ণয় করতে পারে৷ ‘লিফটিং বডি' নামের বিশেষ গঠন এই মহাকাশফেরিকে নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ ও অবতরণ করতে সাহায্য করবে৷ সেই সঙ্গে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রযুক্তি৷

যেমন উত্তাপ নিয়ন্ত্রণের শিল্ড বা বর্ম, যা বিশেষ ধরনের সেরামিক দিয়ে তৈরি৷ আছে উত্তাপ-নিরোধক সুরক্ষা মেটিরিয়াল৷ তিনশোরও বেশি সেন্সর এই সব প্রযুক্তির উপর নজর রাখে৷

ইঞ্জিনিয়াররা জানতে চেয়েছিলেন, এই স্বয়ংক্রিয় মহাকাশযান পৃথিবীতে ফিরলে ঠিক কী ঘটে৷ ৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে যানটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে৷ শব্দের তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি গতিতে সেটি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে৷ ঘর্ষণের ফলে প্রায় ১,৬০০ ডিগ্রি পর্যন্ত তীব্র উত্তাপ সৃষ্টি হয়৷ মহাকাশযানটির দ্রুত পতন ঠেকাতে কাজ শুরু করে প্যারাশুট৷ তারপর সেটি ধীর গতিতে জলের উপর নামে৷

এই মিনি শাটল-এর প্রোটোটাইপ ৩,০০০ মিটার উচ্চতা থেকে পতনের কায়দা রপ্ত করেছে৷ ইউরোপীয়দের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের পথে এটা গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ৷

মহাকাশচারীদের নিজস্ব উদ্যোগে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে চায় তারা৷ এখনো রাশিয়ার ‘সোইয়ুজ' মহাকাশযানের উপর নির্ভর করতে হয়৷ কাজাখস্তানে অবতরণ করে সেই যান৷ গত বছর আলেক্সান্ডার গেয়ার্স্ট এভাবেই মহাকাশ থেকে ঘরে ফিরেছিলেন৷ নিজস্ব মহাকাশফেরি পেলে ইউরোপের নির্ভরতা অনেক কমে যাবে৷

সেটা হলে আরও একটি স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব হবে৷ মঙ্গলগ্রহের মাটির নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা যাবে৷ তারপর গবেষণাগারে তার মধ্যে প্রাণের চিহ্নের সন্ধান করা হবে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়