1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইউরোপীয় অর্থনীতির উপর ইউক্রেন সংকটের ছায়া

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে মালয়েশীয় বিমান ধ্বংসের ফলে এই সংকট নতুন করে প্রকট হয়ে উঠেছিল৷ রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কিছুটা সহযোগিতার মনোভাব দেখানোর ফলে উত্তেজনা আপাতত কেটে গেলেও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটছে৷

মালয়েশীয় বিমান ধ্বংসের ফলে ইউক্রেন সংকট নতুন করে প্রকট হয়ে ওঠায় সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজার বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিল৷ ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কিছুটা সহযোগিতার মনোভাব দেখানোর ফলে মঙ্গলবার অবশ্য ইউরোপের পুঁজিবাজার কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে৷ আপাতত সংঘাতের আশঙ্কা কেটে গেছে বটে, তবে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার ফলে সে দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের উপর কালো ছায়া পড়ছে৷ ইউরোপের বেশ কিছু কোম্পানি এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ বিশেষ করে জ্বালানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার উপর জার্মানি সহ বেশ কিছু দেশ নির্ভর করে৷

এমন বিচ্ছিন্ন ঘটনার পাশাপাশি ইউরোপীয় অর্থনীতির গতি-প্রকৃতির উপর থেকেও বাজারের নজর সরছে না৷ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পূর্বাভাষ অনুযায়ী চলতি বছর জার্মানির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাত্রা হবে ১.৯ শতাংশ৷ আইএমএফ-এর আগের পূর্বাভাষ ছিলো ১.৭ শতাংশ৷ অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুর্বলতা সত্ত্বেও ইউরোপের চালিকা শক্তি হিসেবে পরিচিত জার্মানির সাফল্য সম্পর্কে ইতিবাচক প্রত্যাশার কারণ রয়েছে৷ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবশ্য মূল্যের স্থিতিশীল হার নিয়েই বেশি চিন্তিত৷ ইসিবি সুদের হার কমিয়ে ও অন্যান্য পদক্ষেপ নিয়ে ইউরো এলাকার অর্থনীতির সহায়তায় বার বার এগিয়ে এসেছে বটে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে এই উদ্যোগ যথেষ্ট হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসিবি-র পরিচালকমণ্ডলীর এক সদস্য৷ শুধু ইসিবি-র উপর নির্ভর না করে সরকারি স্তরেও আরও উদ্যোগ নিতে হবে, বলেন জার্মান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ইয়েন্স ভাইডমান৷ সেইসঙ্গে বাজেট সংক্রান্ত নিয়ম মানতে হবে ও কাঠামোগত সংস্কার চালিয়ে যেতে হবে, বলেন তিনি৷

ইউরো এলাকার সংকটগ্রস্ত দেশগুলির অগ্রগতি ধীরে হলেও অব্যাহত রয়েছে৷ যেমন বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্পেনের অর্থনীতি উপকৃত হচ্ছে৷ মিশর ও তুরস্কের মতো দেশে স্থিতিশীলতার অভাবের কারণে বিশেষ করে ব্রিটিশ ও জার্মান পর্যটকরা স্পেনকে বেছে নিচ্ছেন৷ তাছাড়া সামগ্রিকভাবে স্পেন, ফ্রান্স ও গ্রিস সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে৷ ইটালি, স্পেন ও পর্তুগাল তাদের সংকট সামলে নিয়ে আরও ঋণ নিতে শুরু করেছে বলে এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে৷ ফলে সামগ্রিকভাবে ইউরো এলাকার ঋণভার সামান্য হলেও বেড়ে গেছে – যা অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বেড়ে চলার ইঙ্গিত বহন করে৷

এসবি / জেডএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ, এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন