ইউরোপীয় অর্থনীতির ইস্টার কেমন কাটল? | জার্মানি ইউরোপ | DW | 23.04.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইউরোপীয় অর্থনীতির ইস্টার কেমন কাটল?

ইস্টারের সপ্তাহান্তের পর মঙ্গলবার গোড়ার দিকের ট্রেডিং-এ ইউরোপীয় শেয়ারগুলোর দাম চড়ে বটে, তবে আহামরি কিছু নয়৷ মুদ্রাবাজারেও বিশেষ কোনো নড়াচড়া দেখা যায়নি: ইউরো প্রায় একই থেকেছে, ১ ডলার ৩৮ সেন্ট৷

ইস্টারের আগে ইউরোপের মুখ্য শেয়ারবাজারগুলো ছিল উঠতির দিকে৷ ইস্টারের পরেও সে প্রবণতা অব্যাহত আছে, তবে বাজার বিশেষ গরম নয়৷ এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ইসিবি-র প্রধান আগামী বৃহস্পতিবার আমস্টারডামে কি বলেন, সেটা জানার আগে ট্রেডিং বিশেষ জমবে বলে মনে হয় না৷

ইস্টারের মুখে ভালো খবর৷

China Trumpchi G55

চীনের মানুষরাও এসইউভি গাড়ির প্রেমে পড়েছেন

মার্চ মাসের পরিসংখ্যান বলছে, ইউরোপের গাড়ির বাজার সংকট কাটিয়ে ওঠার মুখে৷ গতমাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে নতুন গাড়ি বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ৷ সংখ্যার বিচারে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৫০ হাজারে৷ মার্চে ইইরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ-র প্রায় সব দেশেই নতুন গাড়ি বিক্রির সংখ্যা বাড়ে: ব্রিটেনে প্রায় ১৮ শতাংশ; স্পেনে ১০ শতাংশ; ফ্রান্সে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ; এমনকি জার্মানিতে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ ও ইটালিতে ৫ শতাংশ৷

ওদিকে এ বছরের ‘বেইজিং অটো শো' থেকে সুখবর: চীনের মানুষরা নাকি অ্যামেরিকা-ইউরোপের মানুষদের মতোই এসইউভি গাড়ির প্রেমে পড়েছেন৷

চীনে ফোর্ড কোম্পানির তৈরি ‘কুগা' মডেলটির বিক্রি আপাতত সবচেয়ে বেশি৷ কিন্তু আউডি, মার্সিডিজ, ভল্ভো, সিত্রোয়েন, সকলেই দাঁও মারবার স্বপ্ন দেখছে৷ মনে রাখতে হবে, ২০১৩ সালে চীনে এসইউভি গাড়ি বিক্রির পরিমাণ ছিল ২০১২ সালের ঠিক দ্বিগুণ, প্রায় ২৯ লাখ৷

রাশিয়া কিন্তু ধীরে ধীরে মন্দার দিকে এগোচ্ছে, এবং তার জন্য শুধু ইউক্রেন সংকটই দায়ি নয়, রুশ অর্থনীতির কিছু কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে৷ গত সপ্তাহে যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে, তা থেকে দেখা যাচ্ছে , চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ পুঁজি বেরিয়ে গেছে৷ এবার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সাবধান করে দিয়েছেন যে, ২০১৪ সালে রুশ অর্থনীতি না-ও বাড়তে পারে৷ আর অর্থমন্ত্রী আলেক্সেই উলিউকায়েভ জানিয়েছেন, এ বছরের প্রথম তিন মাসে রুশ অর্থনীতির সংকোচন ঘটেছে ০ দশমিক ৫ শতাংশ৷ কাজেই মন্দার আশঙ্কা ঠিক অমূলক নয়৷

এসি/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়