1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইউরোপকে নিয়ে উপহাস করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট

শরণার্থী সমস্যার সমাধানের অংশ হিসেবে তুরস্কের সহায়তা চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ বিষয়টি নিয়ে চলতি সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হবে৷

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান সোমবার ব্রাসেলসে প্রথমে ইইউ পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট মার্টিন শুলৎস ও পরে ইইউ কমিশনের প্রধান জঁ-ক্লোদ ইয়ুংকারের সঙ্গে বৈঠক করবেন৷

এই বৈঠকের জন্য কিছু প্রস্তাবনা তৈরি করেছে ইইউ৷ জার্মান দৈনিক ‘ফ্রাঙ্কফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং' ও সরকারি টিভি চ্যানেল এআরডি জানিয়েছে, ইইউ ও তুরস্ক একটি ‘অ্যাকশন প্ল্যান' এর বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে৷ তবে বিষয়টি নিয়ে সোমবার দুই পক্ষের মধ্যে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী, শরণার্থীদের দেখভাল করতে ইইউ তুরস্ককে ১০০ কোটিরও বেশি ইউরো দিতে পারে৷ শরণার্থীদের জন্য তুরস্কে ছয়টি শিবির তৈরি করা হবে, যেখানে প্রায় ২০ লক্ষ শরণার্থী থাকতে পারবে৷

তবে তুরস্ক ইতিমধ্যে ইইউ-র ১০০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য ইকোনমিস্ট'৷ এক প্রতিবেদনে তার কারণও খোঁজার চেষ্টা করেছে সাপ্তাহিক এই পত্রিকাটি৷

এদিকে, ব্রাসেলসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার আগে ইউরোপকে নিয়ে ‘উপহাস' করেন এর্দোয়ান৷ সিরিয়া ও ইরাক থেকে যাওয়া প্রায় ২০ লক্ষ শরণার্থীকে তুরস্কের আশ্রয় দেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘অথচ ইউরোপ তার চেয়েও কমসংখ্যক শরণার্থী নিয়ে যেন অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে৷''

শরণার্থীরা সাধারণত তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে চলে যায়৷

ইইউ-র প্রস্তাব অনুযায়ী, এই সাগরে পাহারা বসানো হবে৷ শরণার্থীরা যাঁরা এই সাগর পাড়ি দেয়ার চেষ্টা করবেন, তাঁদের ধরে তুরস্কে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হবে৷ উদ্দেশ্য, গ্রিসে শরণার্থী সংখ্যা কমানো৷ কেননা শেঙেনভুক্ত দেশ হওয়ায় গ্রিস থেকেই শরণার্থীরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চলে যাচ্ছে৷ ইতিমধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক শরণার্থী গ্রিসে প্রবেশ করেছে৷

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়