1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইউরোজোনের তদারকি বাড়ছে গ্রিসে

গ্রিসের ঋণ সংকট মোকাবিলার সরকারি তথ্যে গরমিল পাওয়ার পর ইউরোপীয় বাজেট তদারককারীরা সোমবার ব্রাসেলসে এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, আর্থিক খাতের তথ্য-উপাত্তের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন আইন মেনে চলতে হবে গ্রিস-কে৷

default

নতুন নিয়ম মেনে নিলেও গ্রিস বলেছে, একদিনেই সংকট দূর করা সম্ভব নয় দেশটির পক্ষে৷

১৬টি দেশ নিয়ে ইউরোজোন প্রতিষ্ঠার ১১ বছরের ইতিহাসে গ্রিসই প্রথম দেশ যাদেরকে সরকারি আর্থিক খাতের তথ্যের যথার্থতা প্রমাণের জন্য অন্যান্য দেশের সরকারের সঙ্গে এমন যৌথ বাজেট নজরদারির আওতায় আসতে হচ্ছে৷

সোমবার ব্রাসেলসে ইউরোজোনের বৈঠক থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করছে এমন দেশগুলোর ওপর নজরদারি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘‘সরকারের আর্থিক তথ্যের নির্ভুলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা উন্নয়নের জন্য নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রাসেলসের নিয়ন্ত্রকরা৷''

Olli Rehn, EU-Erweiterungskommissar Flash-Galerie

ইইউ'র অর্থ বিষয়ক কমিশনার অলি রেন

ইইউ'র অর্থনৈতিক এবং আর্থিক বিষয়াদি সংক্রান্ত নতুন কমিশনার অলি রেন বলেছেন, ‘‘ইউরোস্টেট অডিট এর ক্ষমতার এই প্রস্তাব অবশ্যই পরিসংখ্যান তথ্যের ভুল প্রতিবেদন ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষমতা বাড়াবে৷'' তিনি আরও বলেন, ‘‘ইউরোজোনের কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে এবং ইইউ'র মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বাড়াতে এটা খুবই আবশ্যিক ছিল৷''

এই পরিবর্তনের ফলে ব্রাসেলসের পরিসংখ্যানবিদরা এখন আরও বেশি হরহামেশা গ্রিস সফর করতে পারবেন এবং যেসব ক্ষেত্রে গরমিল দেখা গেছে তা নিয়ে দেশটির সরকারের কাছ থেকে আরও বেশি তথ্য চাইতে পারবেন৷ এর আগে চলতি মাসের শুরুতে গ্রিস সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তথ্যের বিষয়ে আপত্তি উত্থাপনের পর দেশটির সরকার একটি আইন করে গ্রিসের বাজেট পরিসংখ্যান সংস্থাকে স্বায়ত্তশাসিত করে দেয়৷

এদিকে, গ্রিসের অর্থমন্ত্রী জর্জ পাপাকন্সতান্তিনো তাঁর সরকারকে খুব দ্রুত অনেক বেশি কিছু করতে আহ্বান জানানোর বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন৷ ব্রাসেলসে ইউরোজোনোর ওই বৈঠকের ঠিক আগে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ডুবন্ত এই টাইটানিকের গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা চালাচ্ছি৷ কিন্তু একদিনেই তা করা সম্ভব নয়৷''

griechische Eu-Parlamentarier George Papakonstantinou

গ্রিসের অর্থমন্ত্রী জর্জ পাপাকন্সতান্তিনো

পাপাকন্সতান্তিনো আরও বলেন, ‘‘যদি বাড়তি আরও আর্থিক পদক্ষেপ দরকার হয় তাহলে আমরা তাও নেবো৷ আজ গ্রিসের এই অবস্থা, কাল অন্য কোনো দেশেরও তা হতে পারে৷ যে কোনো ইউরোপীয় দেশই এই অবস্থার শিকার হতে পারে৷''

মাত্রাতিরিক্ত ঋণ এবং বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করতে না পারায় গ্রিসের অর্থনীতি এখন চরম দুর্দশায়৷ দেশের শেয়ার বাজার সূচকের লাগাতার অধোগতির পাশাপাশি গ্রিসের এই সংকটে হুমকির মুখে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরোর মানও৷ ২০০৯ সালে গ্রিসের বাজেট ঘাটতি ছিল ১২ দশমিক ৭ শতাংশ৷ ইইউ দেশগুলোর সরকার এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলো এই ঘাটতি ২০১২ সালের মধ্যে ৩ শতাংশের নীচে নামিয়ে আনার জন্য চাপ দিচ্ছে৷

প্রতিবেদন : মুনীর উদ্দিন আহমেদ

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়