1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইউনূস বিষয়ে কূটনীতিকদের জানাবেন অর্থমন্ত্রী

ড. ইউনূসকে সরিয়ে দেয়ার বিষয়টি একেক পত্রিকা একেক ভাবে দেখছে৷ পত্রিকাগুলোর শিরোনামে শব্দের ব্যবহারে সেটা বোঝা যায়৷ যেমন কালের কন্ঠ শিরোনাম দিয়েছে: ‘‘গ্রামীণ ব্যাংকে শেষ হলো ইউনূস-রাজত্ব’’৷

default

মুহাম্মদ ইউনূস

আর যুগান্তর, সমকাল ও ইত্তেফাকের শিরোনামে ‘অপসারিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে৷ কিন্তু প্রথম আলো ব্যবহার করেছে ‘অব্যাহতি' এই শব্দটি৷ আর ডেইলি স্টার ‘রিমুভড' অর্থাৎ অপসারিত শব্দটি লিখলেও সেখানে কমা ব্যবহার করেছে৷ এছাড়া প্রথম আলোতে ছোট্ট দুটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে৷ এর একটিতে বলা হয়েছে যে, ড. ইউনূসকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া সাম্প্রতিক অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে শীতলতা দেখা দিয়েছে৷ এছাড়া ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ও ‘ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণ' নামে বিশ্বের নামকরা মানুষদের নিয়ে গড়া সংগঠনটি এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে৷ আর ডেইলি স্টার বলছে ড. ইউনূসের বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানাতে আজ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত৷

ফিরে আসা বাংলাদেশি

বিডিনিউজ টোয়েন্টফোর ডটকম বলছে, বাংলাদেশিরা নিঃস্ব অবস্থায় দেশে ফিরেছে৷ অনেকের কাছে বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফিরে যাবার টাকাও নেই৷ তাই সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে এক হাজার করে টাকা দেয়া হচ্ছে৷ এছাড়া বিমানবন্দরে বিশেষ ডেস্ক বসানো হয়েছে, কারণ অনেকের কাছে পাসপোর্ট নেই৷ এদিকে নজরুল নামের একজন বলেছেন, লিবিয়ায় বিক্ষোভকারীদের ৯০ ভাগই ছিনতাই ও লুটপাটকারী৷ তারা তার কাছ থেকে টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি৷ এদিকে ইত্তেফাকের প্রধান প্রতিবেদন বলছে লিবিয়ার সীমান্তে জিম্মিদশায় আটকে আছে ২০ হাজারের অধিক বাংলাদেশি৷ দুষ্কৃতকারীরা তাদের অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করেছে বলে জানাচ্ছে পত্রিকাটি৷


বিশ্বকাপ

ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের প্রথম অঘটন৷ তাই পত্রিকাগুলো স্বাভাবিক কারণেই এটাকে নিয়ে হৈচৈ করেছে৷ সমকালের শিরোনামে শুধু ‘অঘটন' কথাটাই লেখা হয়েছে৷ তাদের প্রতিবেদনে আয়ারল্যান্ড যে বাংলাদেশকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিল সে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে৷ প্রথম আলো আর কালের কন্ঠ তাদের শিরোনামে ম্যাচটাকে আইরিশ রূপকথার সঙ্গে তুলনা করেছে৷ আর বেশিরভাগ পত্রিকাতেই বিশ্বকাপের দ্রুততম শতক হাঁকানো কেভিন ও'ব্রায়েনের ছবি ছাপানো হয়েছে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী