1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ইউনূসের প্রেরণায় ব্রাজিলে চলছে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান

নিজের দেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কৃতিত্ব কালিমাযুক্ত করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের অনুকরণে ব্রাজিলে গড়ে উঠেছে সফল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান৷

default

ঋণ গ্রহীতাদের সঙ্গে ড. ইউনূস

ব্রাজিলের নারী আলেজান্ড্রা ফ্রান্সা৷ বয়স ২৫ বছর৷ চল্লিশ শতাংশ দরিদ্র মানুষের সেই দেশে তিনি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন৷ এক বছর আগে ফ্রান্সা সরোকাবা শহরে একটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যে প্রতিষ্ঠানটি মূলত গরিব তরুণ-তরুণীদের ঋণ দিয়ে থাকে৷

ফ্রান্সা তাঁর প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যেমন দুই চাকার একটি গাড়ি কিনতে একজন তহবিল থেকে ২৪০ ডলার ঋণ নিতে পারেন৷ তিনি বলেন, তাঁর বয়স যখন ষোলো বছর ছিল, তখন তিনি বাংলাদেশের ড.মুহাম্মদ ইউনূসের কথা পড়েছিলেন৷ বলেন, ‘‘মুহাম্মদ ইউনূস গরিবের ব্যাংকার৷ গরিব কৃষক এবং গ্রামবাসীদের ক্ষুদ্রঋণের আওতায় এনে দারিদ্র্য বিমোচনে যে কাজ করা যায় তার পথ দেখিয়েছেন ইউনূস, যে কারণে তিনি ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন৷''

Deutsche Architektur in Blumenau - Brasilien

ব্রাজিলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

কিশোরী বয়সে ঐ ধারণা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল৷ এরপর তিনি এমবিএ করেন এবং তাঁর সমাজে এই ধরণের একটি বিষয় নিয়ে কীভাবে কাজ করা যায় সে ব্যাপারে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন৷ ফ্রান্সা বলেন,‘‘ মানুষের জন্য আমি সবসময় কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখি৷ আমি ভাবি এমন কিছু কেন করব না যা মানুষের উপকারে আসবে৷''

এখন তাঁর ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটিতে চুয়াল্লিশ জন উপকারভোগী আছে৷ তাঁদের বয়স আঠারো থেকে পঁয়ত্রিশ বছর৷ তাঁরা এ পর্যন্ত তেত্রিশ হাজার ডলার ঋণ নিয়েছেন৷ তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ডলার পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যায়, সাত মাসের মধ্যে যা ফেরত দিতে হয়৷ এইজন্য মাসে চার শতাংশ হারে সুদ দিতে হয়৷ সুদের এই হার ইউরোপ বা অ্যামেরিকার ব্যাংকগুলোর চেয়ে বেশি হলেও ব্রাজিলে এটা খুবই কম৷ কেননা, সেদেশের সাধারণ ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নিতে হলে মাসে চৌদ্দ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি হারে সুদ দিতে হয়৷

নতুন একটি দোকানের মালিক ইভেলিন গার্সিয়া৷ তিনি বলেন, ‘‘এভাবে ঋণ দিয়ে মানুষের বড় উপকার করা হচ্ছে৷ যদি আপনি একটা ব্যবসা শুরু করার স্বপ্ন দেখেন বাস্তব পরিস্থিতিতে এই ঋণের বিকল্প নেই৷''

ফ্রান্সা বলেন, গোটা ব্রাজিলে এখন এরকম তিনশ'টি ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তবে দেশটির আয়তন এবং জনসংখ্যার তুলনায় এটা খুব কম বলেই মনে করেন তিনি৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়