1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইউক্রেন সংকটের সঙ্গে গ্যাসের সম্পর্ক

ক্রাইমিয়া কি ইউক্রেনে থাকবে, নাকি রাশিয়ার শাসনাধীনে চলে যাবে, সে ব্যাপারে আগামী রবিবার এক গণভোট অনুষ্ঠিত হবে৷ অবশ্য জার্মানি সহ পশ্চিমা বিশ্ব গণভোট আয়োজনকে অবৈধ বলছে৷

ইউক্রেন সংকট নিয়ে অন্যান্য দেশের তুলনায় ধীরগতি অবলম্বন করা জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এবার সরব হয়েছেন৷ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনকে তিনি বলেছেন, ক্রাইমিয়ায় গণভোট আয়োজন ‘অবৈধ' এবং সেটা ইউক্রেনের সংবিধানের পরিপন্থি৷

জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ম্যার্কেলকে জানিয়েছেন, ‘‘ক্রাইমিয়ার কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেখানকার জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য এটা প্রয়োজন৷''

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামরেনকেও পুটিন একই কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন৷

সংকটের সঙ্গে গ্যাসের যোগাযোগ

সমস্যার সমাধানের পথে একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে গ্যাস৷ বিষয়টা এরকম – ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের একটা অপরিহার্য বিষয় হলো গ্যাস৷ আর সেই গ্যাসের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আসে রাশিয়া থেকে৷

বিশেষ করে, জার্মানি রাশিয়া থেকে অনেক গ্যাস আমদানি করে৷ এই কথা বিবেচনা করেই জার্মানি অন্যান্য দেশের মতো ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার উপর বড় চাপ দিতে পারছে না৷ কেননা রাশিয়া যদি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় তাহলে জার্মান নাগরিকদের উপত তার সরাসরি প্রভাব পড়বে৷

ইতিমধ্যে, রাশিয়ার গ্যাস সংস্থা কদিন আগে একটা মৃদু সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে, তারা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে৷ এর মাধ্যমে ২০০৯ সালের স্মৃতি কিছুটা মনে করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে৷ সেসময় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সমস্যা চলার কারণে তীব্র শীতের মধ্যে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল৷ ইইউ ও রাশিয়ার মধ্যে গ্যাস সরবরাহের একটা উল্লেখযোগ্য রুট হলো ইউক্রেন৷

গ্যাস বিষয়টা এত গুরুত্বপূর্ণ যে, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার উপর থেকে জার্মানি ও ইইউ-র গ্যাস নির্ভরতা কমানোর উপায় খুঁজতে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলকে অনুরোধ জানানোর কথা ভাবছেন৷ বুধবার ম্যার্কেলের পোল্যান্ড সফরের কথা রয়েছে৷

কূটনৈতিক প্রচেষ্টা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে আলোচনা করতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী আরসেনি ইয়াৎসেনইউক৷ বুধবার ওবামার সঙ্গে তাঁর বৈঠক হবার কথা রয়েছে৷ এছাড়া বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভাষণ দেবার কথা রয়েছে ইয়াৎসেনইউকের৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়