1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর ফন্দি রাশিয়ার'

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া ভয়ংকর ফন্দি আঁটছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট৷ এই কাজে তারা সন্ত্রাসীবাহিনীকে উস্কে দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি৷ ৷

মঙ্গলবার পার্লামেন্টের অধিবেশনে ওলেকসান্ডার তুর্চিনভ বলেন, রাশিয়া কেবল দোনেস্কই নয়, ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার পুরোটাই দখলে নেয়ার পায়তারা করছে৷ অর্থাৎ খারকিভ থেকে ওডেসা অঞ্চল পর্যন্ত দখলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে তারা৷

এদিকে বর্তমান সংকট সমাধানে জাতিসংঘের সাহায্য চেয়েছে ইউক্রেন সরকার৷ সোমবার তুর্চিনভ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুনের প্রতি আহ্বান জানান যাতে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে জাতিসংঘ তাদের সহায়তা করে৷ তবে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি৷

অন্যদিকে, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে কিয়েভ সরকার আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা ইতিবাচক৷ বেইজিং-এ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের অধিবাসীদের দাবি মেনে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের এই পদক্ষেপ একেবারে সঠিক৷'' বলা বাহুল্য, ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে রাশিয়া এরই মধ্যে ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে৷

Karte Ukraine Donbas

ওলেকসান্ডার তুর্চিনভ বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার পুরোটাই দখলে নেয়ার পায়তারা করছে

এদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি না করতে ক্রেমলিনকে হুশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা৷ আবারো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন তিনি৷ সোমবার পুটিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ওবামা৷ ক্রেমলিন জানিয়েছে, ওবামা পুটিনকে বলেছেন, ইউক্রেনে অবস্থানরত রুশপন্থিদের অস্ত্র ত্যাগ করা উচিত৷ তারা ইউক্রেনকে অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে অভিযোগ করেন ওবামা৷ তবে পুটিন এ বিষয়ে তাদের যোগসূত্র অস্বীকার করেন৷ রাশিয়া মোটেও ঐ সব রুশপন্থিদের কালাশনিকভ সরবরাহ করছে না বলে দাবি করেন তিনি৷

রাশিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষক ম্যাথু রোজানস্কি বলেছেন, এ চরম পরিস্থিতিতে রাশিয়া ঠিক মাঝখানে অবস্থান করছে৷ আর যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশের সঙ্গে রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর৷ ফলে ইউরোপের দেশগুলো যদি তাদের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয় তবে রাশিয়ার বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে৷

সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি৷ কারণ অনেকের ধারণা এর ফলে নিজের দেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হবে৷

সোমবার রাতে শত শত মানুষ কিয়েভে বিক্ষোভ করেছে৷ রুশপন্থি জঙ্গিদের হঠানোর দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়