1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ইউএস ওপেন-এ ফেডারারকে নজরে রাখবেন

হ্যাঁ, সেই রজার ফেডারারের কথা হচ্ছে, যিনি ২০১৩ সালের ইউএস ওপেন-এর চতুর্থ রাউন্ডে টমি রব্রেডোর কাছে হেরে বিদায় নেন৷ অথচ এ বছর নিউ ইয়র্কে তাঁর অষ্টাদশ গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব জিততে পারেন ফেডারার৷

৩৩-বছর-বয়সি ফেডারারের এ এক আশ্চর্য প্রত্যাবর্তন৷ মনে রাখতে হবে, রব্রেডোর কাছে হারের আগের ১১ বছরে ফেডারার কোনো গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে পৌঁছতে পারেননি, এমন ঘটনা ঘটেনি৷ তার আগের দশ বছরে তিনি ফ্লাশিং মেডোজ-এ প্রতিবারেই অন্তত কোয়ার্টার-ফাইনাল অবধি পৌঁছেছেন৷

ফেডারার যখন রব্রেডোর কাছে হারলেন, তখন যেন মনে হয়েছিল যে, ফেডারার ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল অবধি পর পর পাঁচবার ইউএস ওপেন জিতেছেন; যাঁর সপ্তদশ বড় সাফল্য এসেছে ২০১২ সালের উইম্বলডন জিতে – সেই ফেডারার এখন অতীতের স্মৃতি হতে চলেছেন৷ কিন্তু ফেডারার নিজে কখনো সে'কথা ভাবেননি – তাঁর আত্মবিশ্বাস অটুটই থেকেছে৷

তাই গত জুলাই মাসেও উইম্বলডনে ফেডারারের ছোটখাটো একটা ‘রিভাইভাল' দেখা গেছে: বিশ্বের পয়লা নম্বর বাছাই নোভাক জোকোভিচের কাছে হেরেছেন পাঁচ সেটে৷ সে যাবৎ তিনি টরোন্টোতে রানার-আপ এবং সিনসিন্যাটিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন৷ কাজেই নিউ ইয়র্কে এবার রজার ফেডারার এসেছেন তাঁর একাদিক্রমে ৬৪তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট খেলার জন্য৷ অন্যদিকে, টেনিসের ‘‘বিগ ফোর''-এ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিরা সবাই দৃশ্যত মিসফায়ার করছেন৷

২৭ বছর বয়সি সার্ব নোভাক জোকোভিচকেই ধরা যাক৷ ২০১১ সালের ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন সম্প্রতি বিবাহ করেছেন এবং বাবা হতে চলেছেন৷ যে কারণেই হোক, জোকোভিচ টরোন্টো এবং সিনসিন্যাটি, উভয় টুর্নামেন্টেই তৃতীয় রাউন্ডে বিদায় নিয়েছেন৷ নিউ ইয়র্কে বিগত চার বছরে প্রতিবারই জোকোভিচ ফাইনালে পৌঁছেছেন৷ কাজেই এবারও ফ্লাশিং মেডোজ-এ ৮ সেপ্টেম্বরের ফাইনালে দুই ‘পুরাতন বৈরী', জোকোভিচ ও ফেডারারের মোলাকাত হলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না৷ বিশেষ করে যখন ২০১৩ সালের ইউএস ওপেন বিজয়ী রাফায়েল নাদাল ডান হাতের কবজির চোটের কারণে নিউ ইয়র্কে অনুপস্থিত থাকছেন৷

Australian Open Tennis Maria Sharapova Viertelfinale 22. Januar 2013

মারিয়া শারাপোভা

বাকি থাকেন ব্রিটেনের – থুড়ি, স্কটল্যান্ডের অ্যান্ডি মারে, যাঁকে ‘‘বিগ ফোর''-এর অঙ্গ ভাবতেই অনেকের দ্বিধা হতে পারে, কেননা ২০১২ সালে ইউএস ওপেন জেতার পর মারের একমাত্র বড় সাফল্য হল ২০১৩ সালের উইম্বলডনে তাঁর ঐতিহাসিক জয়৷ নয়ত বিশ্ববাছাই তালিকায় মারের স্থান আজ নবম – নয় বললে বোধহয় আরো খারাপ শোনাত৷

আট নম্বরে কে জানেন? মারিয়া শারাপোভার বুলগেরীয় বয়ফ্রেন্ড গ্রিগর দিমিত্রভ, যিনি তিনবার ইউএস ওপেন খেলতে এসে একটি ম্যাচও জিততে পারেননি৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন