ইইউ পার্লামেন্ট তামাক আইন আরো কড়া করল | জার্মানি ইউরোপ | DW | 02.03.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ইইউ পার্লামেন্ট তামাক আইন আরো কড়া করল

আগামীতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ-তে সিগারেটের প্যাকেটের উপর রোগীদের ভয়াবহ, অপ্রীতিকর সব ছবি থাকবে এবং মেন্থল সিগারেট নিষিদ্ধ করা হবে৷ ইইউ পার্লামেন্ট বুধবার এই সব ধূমপান বিরোধী নিয়মকানুন অনুমোদন করে৷

ইইউ-এর স্বাস্থ্য কমিশনার টোনিও বোর্গ মন্তব্য করেন: ‘‘তামাকজাত পণ্য যা-তে স্বাদে ও আকৃতিতে সত্যিই তামাকের মতো দেখতে হয়, তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই নতুন নিয়মাবলী ইইউ-তে যে সব মানুষ সদ্য ধূমপানের অভ্যাস শুরু করতে চলেছেন, তাদের সংখ্যা কমাতে সাহায্য করবে৷''

তিনি যুক্তি দেখান যে, মানুষের স্বাস্থ্যের উপর তামাক সেবনের ‘‘মারাত্মক প্রভাব'' পড়ে; বছরে প্রায় সাত লক্ষ ইউরোপীয় তামাক সংশ্লিষ্ট রোগে প্রাণ হারান; ধূমপায়ীরা গড়ে ১৪ বছর কম বাঁচেন৷ অন্যদিকে নতুন নিয়মাবলীর বিরোধী – বিশেষ করে সিগারেট শিল্পের যুক্তি ছিল যে, এর ফলে বেআইনি সিগারেট পাচার বাড়বে, শুল্ক ও কর থেকে সরকারের আমদানি কমবে এবং বহু মানুষের চাকরি যাবে৷

নতুন নিয়ম অনুযায়ী সিগারেটের প্যাকেটের উপরে ও পিছনের ৬৫ শতাংশ এলাকা জুড়ে থাকবে স্বাস্থ্যহানি সংক্রান্ত সাবধানবাণী এবং সংশ্লিষ্ট রোগ ও রোগীদের ছবি৷ যে সব দেশ কোনো ছবি কি রং ছাড়াই ‘প্লেইন প্যাকেজিং' চালু করতে চায়, তারা তা করতে পারবে৷ ফ্লেভার অথবা গন্ধ যুক্ত বিশেষ ধরনের সিগারেট পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে – যেমন মেন্থল সিগারেট৷ তবে তার একটি ‘ফেজ-আউট', অর্থাৎ ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের সময়কাল থাকবে৷ মেন্থল সিগারেট বাজার থেকে পুরোপুরি উঠে যাবে ২০২০ সালের মধ্যে৷

তথাকথিত ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক সিগারেটও নিয়ন্ত্রণ করা হবে – কেননা তাদের ‘ঔষধের' পর্যায়ে ফেলার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে৷ অনুরূপভাবে ‘স্লিম' বা বিশেষভাবে পাতলা সিগারেটগুলি নিষিদ্ধ করা চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে – তবে তাদের প্যাকেটও অতো রঙচঙা, মনোলোভা হলে চলবে না৷ অন্যান্য নিয়মাবলীর লক্ষ্য হল তামাক জাত বেআইনি পণ্য, এবং সিগারেট ও তামাক জাত পণ্যের অনলাইন বিক্রির প্রসার রোখা৷

ইইউ সংসদ ৫১৪ বনাম ৬৬ ভোটে এই নতুন নিয়মাবলী অনুমোদন করেছে৷ ইইউ দেশগুলির সরকারবর্গ ১৪ই মার্চ তাদের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে৷ তারপরও এই নিয়মাবলীকে স্বদেশের আইনে পরিণত করার জন্য দু'বছর সময় থাকবে৷

এসি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন