1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ইইউ ইন্টারনেট যুগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে

এক নতুন ইন্টারনেট যুগ আনতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ চায় তথ্য-উপাত্ত বহনকারী পরিকাঠামোর এক দ্রুতগতি নতুন প্রজন্ম৷ আর তাই গবেষণা ও বিনিয়োগের ৬শ মিলিয়ন ইউরোর এক কর্মসূচি ঘোষিত হল৷

default

ইন্টারনেটে খবর ছড়ায় বিদ্যুৎগতিতে৷

সর্বাধুনিক প্রযুক্তির কোন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের রেকর্ড প্রশ্নসাপেক্ষ৷ তবে বহু দেরিতে হলেও গ্যালিলিও স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিসটেমের জন্যে ৫.৪ বিলিয়ন ইউরোর বিশাল বাজেট নিয়ে কাজ শুরু করে ইইউ৷ তবে তার লক্ষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত গ্লোবাল পজিশনিং সিসটেম(জিপিএস) এবং চীন ও ও রাশিয়ার একই ধরনের প্রকল্পের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া৷

সুইজারল্যন্ডের ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি টানেলের ভিতর লার্জ হ্যাডরন কোলাইডার - এলএইচসি নামের ৩.৯ বিলিয়ন ইউরোর পারমাণবিক পদার্থ বিজ্ঞানের যে পরীক্ষাকাজ চলেছে ইইউ তারও অন্যতম অর্থদাতা৷ বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের গোপন তথ্য খুঁজে বের করাই ঐ গবেষণার লক্ষ্য৷ প্রকল্পের প্রথম বছরগুলোতে অবশ্য একের পর এক ব্যর্থতা আসে৷

সে যাই হোক, মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন একটি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে৷ ভবিষ্যতে ইন্টারনেট কাঠামোকে আরো দ্রুত আর জোরদার করাই এর লক্ষ্য৷ এদিকে ইউরোপীয় কমিশন পাঁচ বছর মেয়াদি পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বে প্রথম ধাপে ৯০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করেছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল এজেন্ডার দায়িত্বে থাকা কমিশনার নেলি ক্রয়েস বলেন, ‘‘ইন্টারনেট অর্থনীতি জিডিপি'র শতকরা ৫.৮ হারে বাড়বে৷ অথবা ২০১৪ সাল নাগাদ তা প্রায় ৮শ বিলিয়ন ইউরো হবে৷ তবে আমরা ইন্টারনেট যুগের একেবারে সূচনা পর্বে রয়েছি৷''

ইউরোপীয় কমিশন বলছে, একবছরে শতকরা ৬০ ভাগ হারে বাড়ছে ইন্টারনেট ডেটা ট্রাফিক৷ কমিশন বলছে, প্রকল্পটি আসলে তৈরিই করা হয়েছে, ইন্টারনেটের অগ্রযাত্রা শক্তিশালী করতে৷ এদিকে প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০১৬ সালের মধ্যে ৩শ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন৷ তবে নেলি ক্রয়েস একই সঙ্গে গোপনতা, উন্মুক্ততা এবং বহুমুখিতার মতো ইউরোপীয় মূল্যবোধগুলো সুরক্ষিত রাখার বিষয় নিয়েও ভাবছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা অনেক বেশি ক্ষিপ্র, চটপটে দুনিয়ার দিকে এগিয়ে চলেছি৷৷ যেখানে মানুষ আর তার পরিবেশ থেকে উৎসারিত তথ্য ফলপ্রসূভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে৷''

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন