1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ইংল্যান্ড হারলে বাংলাদেশে আজ ঈদ হতো

বিশ্বকাপ ক্রিকেট, ড. ইউনূস আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন প্রকল্প – এসবই আজকের ঢাকার প্রধান প্রধান খবর৷

default

ইংল্যান্ড জিতে যাওয়ায় এমন উৎসব করা হলো না

ষোল কোটি বাঙালি ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় চাইছিল৷ কিন্তু সেটা না হওয়ায় সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে হতাশার চিত্র ফুটে উঠেছে৷ তবে টাইগাররা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে চায় বলে জানিয়েছে কালের কণ্ঠ৷ আর ইংল্যান্ড জিতে যাওয়ায় বাংলাদেশ কঠিন পরীক্ষার সামনে পড়ে গেল বলে মন্তব্য করেছে পত্রিকাটি৷ এদিকে সমকাল বলছে, কাল ইংল্যান্ড হারলে আজ বাঙালিদের জন্য হতো ঈদের দিন৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বলছে, ক্রিকেটপ্রেমীরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় উদযাপনের জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল৷ কিন্তু তাদের সে আশায় গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে ইংল্যান্ড৷ প্রথম আলো বলছে, কালকের খেলাটা ভারতের চেন্নাইতে হয়েছে, নাকি ঢাকায় সেটা বোঝার উপায় ছিল না৷ এছাড়া কালকের ম্যাচটি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কতটা উৎকণ্ঠা নিয়ে দেখেছেন, সেবিষয়ে একটা প্রতিবেদন ছেপেছে পত্রিকাটি৷

ড. ইউনূস

সংবাদপত্রে ড. ইউনূসকে নিয়ে করা ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি'র মন্তব্য ছাপা হয়েছে৷ তবে একেক পত্রিকায় তাঁর একেক বক্তব্য বেশি গুরুত্ব পেয়েছে৷ যেমন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন বলছে, দুটি কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইউনূসকে সমর্থন করছে বলে বলছেন মরিয়ার্টি৷ এর একটি হচ্ছে ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি৷ আর অন্যটি হলো যুক্তরাষ্ট্রে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে৷ সমকালের প্রতিবেদনে ইউনূস সঙ্কটের দ্রুত সমাধান চেয়ে মরিয়ার্টির করা মন্তব্যকে শিরোনাম করা হয়েছে৷ আর কালের কণ্ঠ বলছে ‘উদ্বেগ প্রকাশ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কিছু করার নেই' এই কথা বলেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত৷ এছাড়া ইউনূসকে ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক স্বাভাবিকভাবেই চলছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি৷ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ কথা জানাচ্ছে কালের কণ্ঠ৷ এছাড়া ইউনূসের বিষয়টি আদালতে গড়ানোয় ব্যাংক থেকে আমানত উত্তোলনের হিড়িক পড়েছে বলে যে খবর বেরিয়েছে সেটাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ঐসব কর্মকর্তারা৷ এমন তথ্যও দিচ্ছে পত্রিকাটি৷

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

এই সড়কটি চার লেন করার কাজ আবারও আটকে গেছে বলে প্রথম আলো'র প্রধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে৷ ঠিকাদাররা পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি আনতে শুরু করায় পরিবেশ অধিদপ্তর তাদের কাজে বাধা দেয়ায় প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ রয়েছে বলে জানাচ্ছে পত্রিকাটি৷ যোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় মাটি সংস্থানের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা না করেই প্রকল্পের কাজ শুরু করে বলেও বলছে প্রথম আলো৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন