1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

আয়োজক হওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে চায় জাপান

প্রায় দু’মাস আগে ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজনের সুযোগ পায় টোকিও৷ ফলে দ্বিতীয়বারের মতো অলিম্পিক আয়োজন করতে যাচ্ছে জাপান৷ এর আগে ১৯৬৪ সালে টোকিওতেই অলিম্পিক হয়েছিল৷

ইতিহাস বলছে, অলিম্পিকের আয়োজক দেশ পদক পাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় ভালো করে৷ অর্থাৎ কোনো দেশ যখন আয়োজক হয়, তখন সেদেশের অ্যাথলেটরা ভালো পারফর্ম করেন৷ যেমন গত অলিম্পিকের আয়োজক ব্রিটেন ২৯টি সোনার পদক জয় করে৷ তার আগের অলিম্পিকে, যেটা বেইজিংয়ে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে ব্রিটেনের স্বর্ণ সংখ্যা ছিল ১৯৷

জাপানের ক্ষেত্রেও কথাটা সত্য৷ তাই তো এখন পর্যন্ত তারা ১৯৬৪ সালেই সর্বোচ্চ ১৬টি স্বর্ণপদক জয় করেছিল৷ এবার আবার যখন অলিম্পিক আয়োজনের সুযোগ এসেছে তখন জাপান সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চায়৷ দেশটির ক্রীড়া বিষয়ের দেখভাল করা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই ২৫-৩০টি সোনা সহ ৭০-৮০টি পদকের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে৷

তবে লক্ষ্য পূরণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা৷ কারণটা, অর্থনৈতিক৷ পরপর কয়েকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে দেশটির অর্থনীতি অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে৷ তার উপর বয়স্ক লোকের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে দেশটিতে৷ পাশাপাশি তরুণ চাকরিজীবীর সংখ্যা কমে যাওয়াও আয়কর থেকে সরকারের আয়ও কমে যাচ্ছে৷

কিন্তু...

এরপরও অবশ্য একটা কিন্তু আছে৷ দেশটা জাপান বলেই সীমিত অর্থকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ্য পূরণ করতে চায় দেশটি৷ সেজন্য ‘এজেন্সি অফ স্পোর্টস' নামের একটি সংস্থা গঠন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ তাদের কাজ হবে অর্থ বরাদ্দের জন্য সঠিক খাত খুঁজে বের করা৷ যেসব খেলায় পদক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেমন সাঁতার, মহিলা ফুটবল, পুরুষদের জিমন্যাস্টিক্স, কুস্তি আর জুডোতে বেশি অর্থ ব্যয় করা হবে৷ এছাড়া, নামকরা অ্যাথলেট বেছে নিয়ে তাদের প্রতি বেশি নজর দেয়া হবে৷ আর ২০২০ আসতে যেহেতু এখনো কয়েক বছর বাকি, তাই সেসময় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারবে, এমন অল্প বয়সি অ্যাথলেটদের এখন থেকেই গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে৷ গত কয়েকটি অলিম্পিকে যেসব ইভেন্টে একটুর জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছে সেগুলোতেও জোর দেয়া হবে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়