1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নিয়ম সহজ করলো জার্মানি

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে যে মানুষগুলো ইউরোপে আসার চেষ্টা করছেন, তাঁদের আশ্রয় আবেদনের নিয়ম সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি৷ ফলে সিরীয় আশ্রয়প্রত্যাশীদের আর তাঁদের প্রথম পা রাখা ইউরোপের দেশটিতে ফেরত পাঠাবে না জার্মানি৷

বিষয়টা এরকম – আশ্রয়প্রত্যাশীরা বর্তমানে যে উপায়ে সিরিয়া থেকে জার্মানিতে আসছেন, তার জন্য তাঁদের প্রথমে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিস কিংবা ইটালির কোনো দ্বীপে পৌঁছাতে হচ্ছে৷ এরপর সেখান থেকে তাঁরা সড়কপথে কয়েকটি দেশ পার হয়ে জার্মানিতে পৌঁছে আশ্রয়ের আবেদন করছেন৷ এতদিন এরকম আবেদন বিবেচনা করত না জার্মানি৷ নিয়ম মেনেই সেটা করত তারা৷ কারণ নিয়ম বলছে, একজন আশ্রয়প্রার্থী প্রথম ইউরোপের যে দেশে প্রবেশ করবে সে দেশকেই ঐ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করতে হবে৷ আর এখানেই পরিবর্তন আনছে জার্মানি৷

Angela Merkel im ZDF Sommerinterview mit Bettina Schausten

ম্যার্কেল: "শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় ইউরোপের সব সদস্যরাষ্ট্রকে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে৷''

তারা বলছে, এরকম আশ্রয়প্রার্থীদের আর গ্রিস কিংবা ইটালিতে পাঠানো হবে না৷ বরং জার্মানিতেই তাঁদের আবেদন বিবেচনা করা হবে৷ এর ফলে যেটা হবে তা হলো, ইউরোপের সীমান্তে অবস্থান করায় গ্রিস ও ইটালির মতো দেশগুলোকে আর শরণার্থী সমস্যা একা মোকাবিলা করতে হবে না

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলছেন, বর্তমান শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় ইউরোপের সব সদস্যরাষ্ট্রকে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে৷

জার্মানির এই নতুন ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র নাতাশা ব্যারটোড বলেছেন, ‘‘জার্মানির এই ঘোষণা এই সত্যকেই প্রতিষ্ঠিত করে যে, শরণার্থী সংকট মোকাবিলার ভার শুধু ইউরোপের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর উপর ছেড়ে দিলে হবে না৷''

শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে ম্যার্কেল

ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধশালী দেশ হওয়ায় শরণার্থীদের মূল লক্ষ্য থাকে যে করেই হোক জার্মানিতে পৌঁছানো৷ কিন্তু বিষয়টা মেনে নিতে পারছেন না জার্মান সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশ, বিশেয করে নব্য নাৎসি মতবাদে বিশ্বাসীরা৷ ফলে জার্মানিতে শরণার্থীদের আশ্রয়স্থলের উপর কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ গত সপ্তাহান্তে এমন একটি হামলার শিকার হয়েছে পূর্বাঞ্চলের ড্রেসডেন শহরের হাইডেনাউ এলাকার একটি কেন্দ্র৷ এই ঘটনায় ৩০ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন৷ জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল ঐ হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন৷ বুধবার তিনি সেখানে যাচ্ছেন৷ শিবিরে আশ্রয় নেয়া শরণার্থী সহ স্বেচ্ছাসেবী ও নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন৷ এর আগে সোমবার আক্রান্ত ঐ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জার্মানির ভাইস-চ্যান্সেলর সিগমার গাব্রিয়েল৷

এদিকে জার্মান প্রেসিডেন্ট ইওয়াখিম গাউকও বুধবার বার্লিনে একটি শরণার্থী কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন