1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সিরিয়া

আশা কম, তবুও আলোচনায় বসছে সিরিয়ার দুই পক্ষ

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের উদ্যোগে সোমবার সিরিয়ার সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে সপ্তম পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে৷ তবে এই আলোচনা থেকে যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে বড় কোনো অগ্রগতির আশা কম৷

২০১৪ সালে প্রথম দুই পক্ষের মধ্যে এই ধরনের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়৷ ২০১১ সালের মার্চে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে এই আলোচনা চলছে৷ তবে দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে অটল থাকায় এখন পর্যন্ত ফলাফলে কোনো অগ্রগতি নেই৷ বিরোধী পক্ষের দাবি, সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে অবশ্যই যেতে হবে৷ আর সরকারি পক্ষ বলছে, প্রেসিডেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা চলবে না৷

ছয় বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে তিন লক্ষ ২০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে৷

জাতিসংঘের উদ্যোগে সিরিয়ার সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে সবশেষ আলোচনাটি হয় গত মে মাসে৷ তখন সিরিয়া বিষয়ক জাতিসংঘের দূত স্টেফান ডি মিস্তুরা বলেছিলেন, ‘‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে দূরত্ব এখনও রয়ে গেছে৷''

সোমবারের আলোচনায় প্রত্যাশা প্রসঙ্গে বিরোধী ‘হাই নেগোসিয়েশনস কমিটি'-র মুখপাত্র ইয়েহইয়া আল-আরিদি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, তাঁর ‘সামান্য আশা' আছে৷

এদিকে, গত জানুয়ারি থেকে সিরিয়ার মিত্র রাশিয়া ও ইরান এবং বিদ্রোহীদের সমর্থনদানকারী তুরস্কের উদ্যোগে আলোচনা শুরু হয়েছে৷ ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে চলা আলোচনা অনেকখানি গুরুত্ব হারিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷ সিরিয়ার বিদ্রোহীরা মনে করছেন, ঐ তিন দেশের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে সিরিয়ার সরকারপক্ষ আসলে আলোচনা প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে৷

গত মে মাসে রাশিয়া, ইরান ও তুরস্কের আলোচনায় সিরিয়ায় চারটি ‘ডি-এস্কেলেশন জোন' তৈরির সিদ্ধান্ত হয়৷ তবে তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা যায়নি৷

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও জর্ডানের উদ্যোগে রবিবার থেকে দক্ষিণ সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে৷ এর আওতায় তিনটি রাজ্য পড়েছে৷ প্রস্তাবিত চার ‘ডি-এস্কেলেশন জোন'-এর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়েছে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়