1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

আলৎসহাইমার দূরে রাখতে চাই সুস্থ জীবনযাত্রা

জনসংখ্যা বেড়ে চলছে, আমাদের জীবনযাত্রাও হয়ে উঠছে প্রযুক্তি নির্ভর৷ ফলে শারীরিক শ্রমও কমে চলেছে৷ এই অবস্থায় আলৎসহাইমার রোগ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে৷ একদল গবেষক তা প্রতিরোধের পথ বাতলে দিচ্ছেন৷

ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক৷ আমরা সবাই প্রায় প্রতিদিন কত কিছুই না ভুলে যাই৷ কিন্তু স্মৃতিশক্তি ধীরে ধীরে উধাও হয়ে গেলে বিষয়টি বেশ মর্মান্তিক – এমনকি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে৷ আলৎসহাইমার এমনই এক রোগ৷ শারীরিকভাবে সুস্থ, সবল মানুষের জীবনও প্রায় অর্থহীন করে তুলতে পারে এই রোগ৷ কাছের মানুষের পরিচয়ও মনে থাকে না৷ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে বিষয়টি বংশগত, অন্যরা পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতার শিকার৷

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের হিসাব অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ আলৎসহাইমার রোগে আক্রান্ত হবেন৷ ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩ কোটি৷ এমন এক পরিস্থিতি এড়াতে এই রোগ প্রতিরোধের পথ খোঁজা হচ্ছে৷

কেমব্রিজের গবেষকদের মতে, কোনো কড়া ওষুধ বা কঠিন ব্যায়াম নয়, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মধ্যে সামান্য রদবদল ঘটিয়েই নাকি স্মৃতিভাণ্ডার স্বাভাবিক রাখা সম্ভব৷ গবেষকদলের প্রধান ক্যারল ব্রেন সাত রকমের ঝুঁকি চিহ্নিত করেছেন, যেগুলি আলৎসহাইমার রোগের উৎস হিসেবে পরিচিত৷ এগুলি হলো ডায়াবেটিস, মাঝবয়সি মানুষের ক্ষেত্রে হাইপার-টেনশন এবং স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মোটা হওয়ার প্রবণতা, শারীরিক শ্রমের অভাব, ডিপ্রেশন বা অবসাদ, ধূমপান এবং শিক্ষার অভাব৷

২০১১ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী আলৎসহাইমারের প্রতি দুটি ঘটনার মধ্যে একটি প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ সে ক্ষেত্রে ঝুঁকিগুলির মাত্রা মাত্র ১০ শতাংশ কমালেই ২০৫০ সালের মধ্যে ৮.৫ শতাংশ ক্ষেত্রে আলৎসহাইমার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷

সাম্প্রতিকতম প্রতিবেদনে অবশ্য এই ঝুঁকিগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিরও উল্লেখ করা হয়েছে৷ যেমন অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক শ্রমের অভাবের কারণেই ডায়াবেটিস, হাইপার-টেনশন বা মোটা হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়৷ ফলে চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গে জড়িত একাধিক মহল শুধু অঙ্কের হিসেবে এমন রোগ সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে নারাজ৷

এসবি/জেডএইচ (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন