1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

আলোচনায় ব্লাসফেমি আইন

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী শাহবাজ ভাট্টিকে হত্যা করার পর আবারো আলোচনায় ব্লাসফেমি আইন৷ ধর্মীয় বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী বক্তব্য বা আচরণের বিচারের জন্য যে আইন, সেই আইনের নামই ব্লাসফেমি৷

default

আছিয়া বিবির মুক্তির দাবিতে মিছিল (ফাইল ফটো)

ব্লাসফেমি আইনে ইসলাম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে৷ পাকিস্তানে অনেক বছর ধরেই বলবৎ এই আইনটি৷ কিন্তু ২০১০ সালের শেষ দিকে সে দেশের সরকার ‘ব্লাসফেমি' আইন পরিবর্তনের পরিকল্পনা করে৷ উগ্রপন্থিরা যাতে এ আইনের অপব্যবহার করতে না পারে সেজন্যই সরকারের এই উদ্যোগ৷ কিন্তু এখনো এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি৷ বরঞ্চ এই আইন সংশোধন বা বাতিলের বিষয়ে যারা কথা বলছেন তাদের উপর একের পর এক আক্রমণ হচ্ছে৷

এ বছরের শুরুর দিকে নিজের নিরাপত্তা রক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারান পাকিস্তানের লাহোরে গর্ভনর সালমান তাসির৷ ব্লাসফেমি আইনের সংশোধন তারা অবশ্যই করবেন, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তাসির বলেছিলেন এই কথা৷ হত্যাকারী নিজের স্বীকারোক্তিতে বলেছে, সালমান তাসির ব্লাসফেমি আইন সংশোধনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার কারণেই সে তাঁকে হত্যা করেছে৷

এরপরই আজ বুধবার হত্যা করা হলো এই আইন সংশোধনের বিরুদ্ধে সোচ্চার আরেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মন্ত্রী শাহবাজ ভাট্টিকে৷ শাহবাজ ভাট্টি আইন সংশোধনের জন্য জনমত সৃষ্টি করছিলেন৷ এ পর্যায়ে তাঁকেও দেয়া হয় মৃত্যুর পরোয়ানা৷ সাংবাদিকদের তিনি সেই চিরকূটও দেখিয়েছিলেন৷ অবশেষে সেই চিরকূটে লেখা হুমকিই সত্য হলো বুধবার৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়