1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

আর্জেন্টিনার রাজধানীতে শোভা পাচ্ছে বইয়ের টাওয়ার

শহরের শোভা বাড়াতে কত রকম চমকই না দেখা যায়৷ বই-পাগল মানুষের শহর আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেস'এ এবার তৈরি করা হয়েছে বইয়ের এক টাওয়ার৷

default

বই-পাগল মানুষের দেশ আর্জেন্টিনা

বিভিন্ন ভাষায় লেখা হাজার হাজার বই৷ আর্জেন্টিনার শিল্পী মার্তা মিনুহিন গড়ে তুলেছেন প্রায় ২৫ মিটার উঁচু এই শিল্পকর্ম, যার নাম রাখা হয়েছে ‘টাওয়ার অফ ব্যাবেল'৷ টাওয়ারের প্রায় ৩০,০০০ ‘ইঁট' বা বই দান করেছেন সাধারণ পাঠক, লাইব্রেরি ও বিভিন্ন দূতাবাস৷ ১০ দিন লেগেছে বইয়ের এই টাওয়ার তৈরি করতে৷ ইউনেস্কো চলতি বছর বুয়েনস আইরেস'কে আন্তর্জাতিক বইয়ের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে৷ সেই উপলক্ষেই এই আয়োজন৷

Frankfurter Buchmesse FLASH-Galerie

২০১০ সালে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অতিথি দেশ ছিল আর্জেন্টিনা

বইয়ের স্তূপ নয় – সিঁড়ি দিয়ে ৭ তলা উঁচু ধাতুর এই কাঠামোর মধ্যেও প্রবেশ করতে পারেন দর্শকরা৷ চারিদিকে সংগীতের আবহ, যার সুর দিয়েছেন মিনুহিন নিজেই৷ তারই মাঝে থেকে থেকে মিনুহিন'এর কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে ‘বই' শব্দটি, একাধিক ভাষায়৷ চলতি মাসের শেষে যখন প্রদর্শনী শেষ হয়ে যাবে, তখন বইপ্রেমী মানুষ এসে নিজেদের পছন্দের বই নিয়ে যেতে পারবেন৷ বাকি বইগুলি নিয়ে তৈরি হবে এক গ্রন্থাগার, যার নাম রাখা হবে ‘লাইব্রেরি অফ ব্যাবেল'৷ আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বিখ্যাত লেখক খর্খে লুইস বর্খেস এই নামেই একটি বই লিখেছিলেন৷

বই নিয়ে এমন চমকপ্রদ শিল্পকর্ম এর আগেও তৈরি করেছেন মার্তা মিনুহিন৷ ১৯৯৩ সালে বিখ্যাত অ্যামেরিকান শিল্পী অ্যান্ডি ওয়ারহল'এর সঙ্গে বই দিয়ে গ্রিসের পার্থেনন মন্দিরের আদলে একটি শিল্পকর্ম তৈরি করেছিলেন৷ সামরিক শাসকরা যেসব বই নিষিদ্ধ করেছিল, সেই সব বই দিয়েই এই মন্দির তৈরি হয়েছিল৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়