1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

আরো ‘সবুজ’ হওয়ার পথে অ্যাপল

আরো বেশি পরিবেশবান্ধব হওয়ার চেষ্টায় আইপ্যাড ও আইফোন-সহ ব্যবহৃত পণ্যগুলি গ্রাহকের কাছ থেকে কিনে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল৷ এছাড়া দূষণ কমাতে অ্যাপল-এর সব স্টোর ও ডেটা সেন্টারে ব্যবহার করা হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি৷

আরো ‘সবুজ' হয়ে ওঠার এই উদ্যোগের অংশ হিসাবে ইতোমধ্যে কোম্পানির ওয়েবসাইটে পরিবেশ বিষয়ে আলদা একটি বিভাগ খোলা হয়েছে, যাতে অ্যাপল-এর উদ্যোগগুলোর কথা দেয়া আছে সবিস্তারে৷

ফের বিক্রি করার মতো ভালো অবস্থায় আছে – এমন আইপ্যাড, আইফোন বা ম্যাক কম্পিউটারগুলোই ফিরিয়ে নেবে অ্যাপল৷ বিনিময়ে ব্যবহারকারী পাবেন গিফ্ট কার্ড৷ পণ্যটি কতটা ভাল অবস্থায় আছে, তার ওপর ভিত্তি করে এই গিফ্ট কার্ড দেয়া হবে, যা দিয়ে নতুন অ্যাপল পণ্য কিনতে পারবেন ব্যবহারকারী৷ এ জন্য এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪২০টি অ্যাপল স্টোরে গিফ্ট কার্ড পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে৷

অনেক ইলেকট্রনিক্স পণ্যেই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকে৷ সেগুলো সরিয়ে নিতেই অ্যাপলের এই উদ্যোগ৷ কেবল গত সাত বছরেই একশ কোটির বেশি আইপ্যাড, আইফোন ও ম্যাক কম্পিউটার বিক্রি করেছে অ্যাপল৷

২০১২ সালে বিশ্বে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়েছে, তার ২ শতাংশ এসেছে বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য ও সেবা থেকে৷ পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবগুলো এয়ারলাইন্স মিলেও একই পরিমাণ কার্বন গ্যাস নিঃসরণ করে৷

তাছাড়া ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিন পরিচালনা, ছবি, ভিডিও ও ইমেইল সংরক্ষণের জন্য যেসব বড় আকারের তথ্যভাণ্ডার বা সার্ভার ব্যবহার করা হয়, সেগুলো চালু রাখতেও খরচ হয় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ৷

চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও রাশিয়াকে বাদ দিলে বিশ্বের বাকি সব দেশ মিলে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, এ ধরনের অনলাইন সেবা চালাতেই সব মিলিয়ে তার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ লাগে৷

অ্যাপলের ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা জ্যাকসন বলেন, ‘‘আমরা আমাদের সব উদ্ভাবন এবং অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই পৃথিবীকে আরো বেশি নিরাপদ করে তুলতে চাই৷''

গ্রিনপিসও অ্যাপলের এই উদ্যোগকে ‘লোক দেখানো' মনে করছে না৷ গত সপ্তাহে তারা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে গুগল, ফেসবুকের পাশাপাশি অ্যাপলকেও পরিবেশবান্ধব ভূমিকায় আন্তরিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷

উত্তর অ্যামেরিকায় অ্যাপলের চারটি ডেটা সেন্টার ইতোমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷ অ্যাপল-এর অফিসগুলোর ৯৪ শতাংশ বিদ্যুৎ-ও আসছে একই ধরনের উৎস থেকে৷

জেকে/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন