1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মধ্যপ্রাচ্য

আরব দেশগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিচ্ছে কুয়েত

কাতারের সঙ্গে সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণার পর দেশগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে কুয়েত৷ এর আগে ২০১৪ সালেও এরকম দায়িত্ব নিয়েছিল দেশটি৷

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি আল-জাজিরা চ্যানেলকে বলেন, সোমবার রাতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি ও কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমেদ আল-জাবের আল-সাবাহর মধ্যে টেলিফোনে আলোচনা হয়েছে৷ সেই সময় কুয়েতের আমির কাতারের আমিরকে মঙ্গলবার তাঁর জাতির উদ্দেশে যে ভাষণ দেয়ার কথা তা স্থগিত করার আহ্বান জানান৷ এছাড়া উত্তেজনা প্রশমনে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনার আগ্রহও প্রকাশ করেন কুয়েতের আমির৷ তাঁর এই প্রস্তাবের পর কাতারের আমির ভাষণ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ কাতারের আমির কুয়েতের আমিরকে অভিভাবকের মতো শ্রদ্ধা করেন বলে জানিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী৷ উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৪ সালে একইরকম পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তার সমাধানে কুয়েত তখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল৷

তিন নিকটতম প্রতিবেশীসহ পাঁচটি আরব দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে৷ দেশগুলো হচ্ছে, সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন৷ এছাড়া লিবিয়ার কয়েকটি সরকারের মধ্যে একটি সরকার এবং মালদ্বীপও পরে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার কথা জানিয়েছে৷

তিন নিকটতম প্রতিবেশীসহ পাঁচটি আরব দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে

তিন নিকটতম প্রতিবেশীসহ পাঁচটি আরব দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে

এর্দোয়ানের উদ্যোগ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়্যেপ এর্দোয়ানও পরিস্থিতি শান্ত করতে কয়েকজন বিশ্ব নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন৷ তিনি কাতারের আমির, সৌদি আরবের বাদশা ও কুয়েতে শীর্ষ নেতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন৷ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সঙ্গেও কথা বলেছেন এর্দোয়ান৷ তবে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ব্যাপারে অন্যতম ভূমিকা রাখা আরব আমিরাতের কারও সঙ্গে কথা বলেননি এর্দোয়ান৷ তাছাড়া সম্পর্ক ছিন্ন করা আরেক দেশ মিশরের সঙ্গে তুরস্কের পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় সে দেশের নেতার সঙ্গেও কথা হয়নি তুর্কি প্রেসিডেন্টের৷

যুক্তরাষ্ট্র কী বলছে?

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কাতারেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান ঘাঁটি অবস্থিত৷ প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা সেখানে মোতায়েন আছে৷ সিরিয়া ও ইরাকে থাকা তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়তে কাতারের মার্কিন ঘাঁটিটির গুরুত্ব রয়েছে৷ ফলে কাতারের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয়টির সমাধান করতে যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা৷

এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফিফা জানিয়েছে, ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক কাতারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে৷

জেডএইচ/এসিবি (এপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়