1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

আবার সেলুলয়েডে উঠে আসছেন আনা ফ্রাংক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত অসংখ্য মানুষের একজন আনা ফ্রাংক৷ তবে নিজের লেখা একটি ডায়েরির কারণে জার্মান নাৎসিদের হাতে নিহত লাখো মানুষের মধ্যেও তিনি আলাদা৷ জার্মানিতে আবারো ছবি তৈরি হবে তাঁকে নিয়ে৷

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিদের হাত থেকে বাঁচতে পরিবারের সঙ্গে জার্মানি ছেড়ে পাশের দেশ নেদারল্যান্ডসে চলে গিয়েছিল আনা ফ্রাংক৷ জার্মান-ইহুদি পরিবারের ছোট্ট একটি মেয়ে তখন নিজে দেখেছে যুদ্ধের নির্মমতা, বীভৎসতা৷ আমস্টারডামে একটি বাসায় আত্মগোপন করে থাকার সময় থেকে যা দেখেছেন ১৫ বছর বয়সে নাৎসিদের হাতে নিহত হবার আগ পর্যন্ত যতদিন সম্ভব হয়েছে তার সবই ডায়েরিতে লিখে গেছে আনা৷ হৃদয়স্পর্শী বর্ণনায় লেখা সেই ডায়েরি আজও আবেগাপ্লুত করে পাঠকদের৷

Anne Frank Tagebuch

আনা ফ্রাংকের ডায়েরি

সেই ডায়েরির বর্ণনাকে পুঁজি করেই নতুন ছবি তৈরির কাজে হাত দিচ্ছেন জার্মান প্রযোজক অলিভার ব্যারবেন৷ খবরটি জানিয়েছে জার্মানির ম্যাগাজিন ‘ডেয়ার স্পিগেল'৷ আনা ফ্রাংককে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ কিছু চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়েছে৷ তবে আশ্চর্যের ব্যাপার, এখনো পুরোপুরি জার্মান ভাষায় একটাও ছবি হয়নি৷ এ কারণেই আগামী গ্রীষ্ম থেকে জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-এর জন্য নতুন একটি ছবির কাজ শুরু করছেন ব্যারবেন৷

বিশ্বখ্যাত উপন্যাস বা বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ নতুন কিছু নয়৷ আনা ফ্রাংককে নিয়ে ব্যারবেনের নতুন প্রযোজনাকে অনেকের কাছে তাই খুব গতানুগতিক মনে হতে পারে৷

Anne Frank Tagebuch

আনা ফ্রাংকের ডায়েরি

তবে জেডডিএফ-কে উদ্ধৃত করে স্পিগেল জানিয়েছে, ছবিটি হবে আনা ফ্রাংককে নিয়ে নির্মিত আগের ছবিগুলোর চেয়ে আলাদা৷ ব্যারবেন জানিয়েছেন, এ ছবিতে নাৎসিরা নেদারল্যান্ডস দখল করার পর আনা ফ্রাংকের পরিবারকে ধরে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে নিয়ে যায়, সেখানে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হয় কিশোরী আনাকেও – এসব বিষয় অবশ্য ছবির বাইরেই রাখা হবে৷ তাঁর মতে, এ সব সবার জানা বিষয় এবং এগুলো না দেখালে কোনো ক্ষতি হবে না৷ আনার ১৫ বছরের জীবনের শেষ পাঁচ বছর, অর্থাৎ ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনাই দেখানো হবে ছবিতে৷ সুতরাং এমন কিছুই দেখা যাবে যা আগের ছবিগুলোতে হয়ত আসেনি৷

নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর জার্মানিতে টেলিভিশনে দেখানো হবে ছবিটি৷ ডিভিডি তৈরি করে তা ছাড়া হবে বাজারেও৷ আর চাইলে আমরা, আপনারা সকলেই বিনা মূল্যে পেতে পারি সেই ডিভিডি, দেখে জানতে পারি আনা ফ্রাংকের কথা৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন