1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

আবার চোটের খাঁড়া, এবার বাদ পর্তুগালের নানি

চোট আঘাত আর একের পর এক তারকাদের বাদ পড়া৷ ২০১০ বিশ্বকাপের অন্য নাম হয়ে থেকে যাচ্ছে এই চোট আঘাত সমস্যাই৷ মঙ্গলবার কাঁধের হাড়ে চোট পেয়ে বাদ পড়লেন পর্তুগালের তারকা উইঙ্গার নানি৷

default

নানিকে দেখা যাবেনা বিশ্বকাপে

জার্মান ক্যাপ্টেন মিশায়েল বালাককে দিয়ে শুরু হয়েছিল৷ বিশ্বকাপের আগে কোথায় গিয়ে যে সেই চোট আঘাতের আতঙ্ক থামবে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না৷ সোমবার জোহানেসবার্গে মোজাম্বিকের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে খেলতে নেমে সর্বশেষ বাতিলের তালিকায় পর্তুগালের নানি৷ পর্তুগালের এই অভিজ্ঞ উইঙ্গারের ওপর যথেষ্ট ভরসা রয়েছে কোচ কার্লোস কুইরোজ-এর৷ সেই ভরসাতেও জলাঞ্জলি হয়ে গেল শেষ পর্যন্ত, তাও আবার বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার ঠিক দুইদিন আগে৷

খেলতে খেলতে কাঁধে চোট পান নানি৷ চোট লাগে তাঁর কলার বোন-এ৷ বা কাঁধের হাড়ে৷ তারপরেও তিনি বলতে থাকেন, ‘খেলতে পারবো আমি৷ কিছুই হয়নি৷ একটু বিশ্রাম নিলেই ঠিক হয়ে যাব৷' কিন্তু ডাক্তারি পরীক্ষার পর স্পষ্ট বোঝা যায়, চিড় ধরেছে হাড়ে৷ ভালোরকম চিড়৷ চিকিত্সকরা জানিয়ে দেন, আগামী একমাস মাঠে নামা অসম্ভব নানির পক্ষে৷

অতএব নানি বাদ৷ তাঁর জায়গায় মূল দলে চলে এলেন বেনফিকার খেলোয়াড় রুবেন আমোরিম৷ কোচ কুইরেজ বলছেন, নানির বাদ যাওয়াটা খুবই দুঃখজনক৷ কিন্তু, আমাকে দলের মধ্যে ভারসাম্য আর বোঝাপড়া বজায় রেখে চলতে হবে৷ দলের ছন্দটা যদি নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ হতে বেশিক্ষণ লাগবে না৷

সে তো কোন নতুন কথা নয়! অতএব আমোরিমকে দিয়েই আপাতত ঠেকা দিতে চেষ্টা করবেন কুইরেজ৷ তবে পর্তুগাল দলের মহাতারকা খেলোয়াড় ক্রিস্চিয়ানো রোনাল্ডো বেশ ফিট৷ রয়েছেন দারুণ ফর্মেও৷ মঙ্গলবারের প্রীতি ম্যাচে রোনাল্ডো সামান্য সময়ের জন্য মাঠে নেমেওছিলেন৷ দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা বোঝা গেছে দর্শকদের সহর্ষ অভিনন্দনে৷ মোজাম্বিকের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচটায় মঙ্গলবার ৩-০ জিতেছে পর্তুগাল৷ বিশ্বকাপের একেবারে মুখে সেই বিজয় দলের মনোবল বাড়াবে যে তাতে সন্দেহ নেই৷ কিন্তু, বিনিময়ে একজন নির্ভরযোগ্য উইঙ্গারকে খোয়ানোটাও যথেষ্ট দুঃসংবাদ বৈকি৷

আসলে দুর্ঘটনাকে কে আর রুখতে পারে! এমন দুর্ঘটনা আরও যে কতগুলো ঘটবে এই বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত! তাও বা কে বলতে পারে? কেউই না৷

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা : জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়