1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

উত্তর কোরিয়া

আবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল উত্তর কোরিয়া

হোয়াসং-১৪ রকেটটি ৩৯ মিনিট ধরে ওড়ে ও ২,৮০২ কিলোমিটার উচ্চতায় ৯৩৩ কিলোমিটার যায়, বলে পিয়ংইয়াং-এর  দাবি৷ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর টুইটে এই আশা প্রকাশ করেছেন যে, চীন উত্তর কোরিয়ার এই ‘ননসেন্স' বন্ধ করবে৷

মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই ‘‘যুগান্তকারী'' রকেট পরীক্ষার কথা ঘোষণা করে৷ কিম জং উন স্বয়ং তার তত্ত্বাবধান করেছেন, বলে কোরিয়ান সেন্ট্রাল টেলিভিশনের বিবরণে জানানো হয়৷ উত্তর কোরিয়া একটি ‘‘শক্তিশালী পারমাণবিক শক্তিধারী দেশ'' এবং উত্তর কোরিয়ার এমন একটি ‘‘শক্তিশালী আইসিবিএম (ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল বা দূরপাল্লার রকেট) আছে, যা বিশ্বের যে কোনো স্থানে আঘাত হানতে পারে'', বলে ঐ বিবরণে দাবি করা হয়৷

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয় যে, উত্তর কোরিয়া দেশের উত্তরে চীনের সীমান্তবর্তী একটি প্রদেশ থেকে জাপান সাগর অভিমুখে একটি রকেট নিক্ষেপ করেছে৷ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠক আহ্বান করেন৷ মুন-এর বিবৃতি অনুযায়ী রকেটটি মাঝারি পাল্লার ছিল, বলে মনে করা হচ্ছে; তবে তা আইসিবিএম ছিল কিনা, সেনাবাহিনির তরফ থেকে তা বিচার করে দেখা হচ্ছে৷

কিছু বিশেষজ্ঞের মতে উত্তর কোরিয়ার সর্বাধুনিক রকেটটির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাস্কা রাজ্য অবধি পৌঁছনোর ক্ষমতা ছিল৷ আইসিবিএম গোত্রীয় রকেট খাড়া উড়ালে আকাশে ওঠে ও সেখান থেকে লক্ষ্যের উপর নামে৷ এই পন্থায় রকেটটির পাল্লা বাড়ে৷ কিন্তু সেজন্য রকেটটিকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার সময় অক্ষত থাকতে হবে৷ উত্তর কোরিয়ার বর্তমানে সে ধরনের রকেট তৈরির ক্ষমতা আছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ আছে – যেমন আছে, উত্তর কোরিয়া রকেটের মাথায় বসানোর মতো ছোট আকারের পরমাণু বোমা তৈরি করতে পারে বা পারবে কিনা, তা নিয়ে৷

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ই'এর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম সাক্ষাতে প্রধানত উত্তর কোরিয়ার প্রসঙ্গটি আলোচিত হয়৷ উত্তর কোরিয়ার সর্বাধুনিক রকেট পরীক্ষা সম্পর্কে ট্রাম্প টুইট করেছেন যে, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যে এই পরিস্থিতি উত্তরোত্তর সহ্য করবে, এটা তাঁর পক্ষে ‘‘বিশ্বাস করা শক্ত''৷ অপরদিকে চীন উত্তর কোরিয়ার এই ‘‘পাগলামোর'' অন্ত ঘটাবে, বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন৷

চীন উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে সব তরফের প্রতি মাথা ঠান্ডা রাখার ও সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেছেন যে, ‘‘শান্তিপূর্ণ আলাপ-আলোচনা ও শলা-পরামর্শ'' হলো কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার একমাত্র পন্থা৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়