1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

আবারো বিশ্বকাপ নিয়ে আশার কথা শোনালো কাতার

২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে ফিফার দুশ্চিন্তা আর কাটছে না৷ ফুটবল বিশ্বকাপ বলে কথা, সার্থক আয়োজনের আশ্বাস না পেলে কী হয়! কাতার অবশ্য আবারও বলেছে, বছরের যে কোনো সময়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে তারা প্রস্তুত৷

২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে কাতারের নাম ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা৷ তীব্র গরমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে কীভাবে বিশ্বকাপের মতো আয়োজন সম্ভব, ফুটবল বিশেষজ্ঞরা সেটা ভেবেই পাচ্ছেন না৷ এক পর্যায়ে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফাও এ নিয়ে ভাবতে শুরু করে৷ আয়োজক কাতার অবশ্য শুরু থেকেই বলে আসছে, স্টেডিয়ামে শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকবে, সুতরাং চিন্তার কোনো কারণ নেই৷ কিন্তু শুধু স্টেডিয়ামে শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করলে হবে কেমন করে? ফুটবলের সবচেয়ে বড় আয়োজন দেখতে তখন কাতারে ভিড় জমাবে অসংখ্য বিদেশি ফুটবলামোদী৷ তাই রাস্তা, ফ্যানজোন, সুপারমার্কেটেও তাঁদের জন্য গরম থেকে বাঁচার ব্যবস্থা রাখা দরকার৷ শুক্রবার কাতার বিশ্বকাপ আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা নাসের আল-খাতার জানিয়েছেন, সেসব এলাকাতেও শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হবে এবং শীত, গ্রীষ্ম যখনই হোক না কেন, বিশ্বকাপ আয়োজনকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ করে দেখাবে তারা৷

ফুটবল বিশ্বকাপের আসর বসে জুন-জুলাইয়ে৷ কাতারে তখন ভয়াবহ গরম৷ তাই ফিফা ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো অন্য সময়, অর্থাৎ কাতারে শীত শুরু হবার পরে শুরু করার বিষয়টিও বিবেচনা করে দেখছে৷ এ নিয়ে আলোচনাও চালাচ্ছে আয়োজক দেশটির সঙ্গে৷ নাসের আল-খাতার জানিয়েছেন, যে কোনো মৌসুমে আয়োজন সার্থক করার জন্যই কাজ করছেন তাঁরা৷ একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ চলছে এবং এ বছর আরো পাঁচটি স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে জানিয়ে কিছু সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন তিনি৷

কাতারে বিদেশি নির্মাণ শ্রমিকদের তীব্র গরমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় – আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসা এ খবরের সত্যতা অস্বীকার করেননি কাতার বিশ্বকাপ আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা নাসের আল-খাতার৷ বরং এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় সংবাদমাধ্যমের প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, সরকার পরিস্থিতির উন্নতি সাধনের জন্য সব চেষ্টাই করবে৷ তাঁর মতে, কাতার প্রকৃতির প্রতিকুলতাকে জয় করে সফলভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের যে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে, তাতে বিশ্বকাপের আয়োজক হতে আগ্রহী এমন সব দেশেরই সহযোদ্ধার মতো পাশে থাকা উচিত৷ তিনি মনে করেন, কাতার সাফল্য পেলে সেইসব দেশের আয়োজক হবার দাবি জোরালো হবে, কাতারের কাছ থেকে তারাও সব প্রতিকূলতা জয় করার শিক্ষা নিতে পারবে৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন