1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আবারো অশান্তির আগুন টিউনিশিয়ায়

আরব বসন্তের শুরু যে দেশকে ঘিরে সেই টিউনিশিয়া আবারো উত্তাল সরকারবিরোধী বিক্ষোভে৷ মিশরের পর এবার টিউনিশিয়ায় সরকার পতনের আন্দোলন বেগবান হয়েছে৷ বিরোধী রাজনৈতিক নেতার হত্যার পর সম্প্রতি শুরু হওয়া বিক্ষোভ অন্য রূপ নেয়৷

রাজধানী টিউনিসে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করতে থাকে৷ তাঁদের একটাই দাবি, ইসলামপন্থী সরকারের পতন৷ তাঁদের এই বিক্ষোভের কারণে স্থগিত হয়ে যায় জাতীয় পরিষদের সমস্ত কাজ৷ সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ৷ বার্দো স্কয়ারে বিক্ষোভকারীদের একটাই স্লোগান: এই সরকারের পতন চায় জনগণ৷

২০১১ সালে বেন আলির পতনের সময় এই স্লোগানটিই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল৷ বামপন্থী রাজনৈতিক নেতা শকরি বেলাইদের হত্যার ছয় মাস পূর্ণ হওয়ায় এই বিক্ষোভ শুরু করে সরকারবিরোধীরা৷ এ বছরই আর এক বিরোধী নেতা মোহাম্মদ ব্রাহমিকেও গুলি করে হত্যা করা হয়৷

এই দুই রাজনৈতিক নেতার হত্যার পেছনে ইসলামি জঙ্গিদের হাত আছে বলে দাবি করছে সরকারবিরোধীরা৷ তাঁদের দাবি, সংস্কারপন্থী ইসলামি দল এন্নাদার হাত রয়েছে এর পেছনে৷

Tunis Tunesien Demonstration Islam Islamisten

টিউনিশিয়ায় আবার বিক্ষোভের আগুন

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপাথর্ক্য এবং সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণে মঙ্গলবার রাতে টিউনিশিয়ার জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদ স্থগিত করা হয়৷

তৈরি হচ্ছে খসড়া সংবিধান

জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদের প্রেসিডেন্ট মুস্তাফা বেন জাফর জানান, সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা না হওয়া পযর্ন্ত পরিষদের সদস্যরা তাঁদের সব কাজ বন্ধ রাখবেন৷ একইসাথে এসময় সবাইকে সংলাপে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি৷

বেন জাফরের অসাম্প্রদায়িক, সামাজিক গণতান্ত্রিক এটাকাটল পার্টি এরই মধ্যে নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছে, যদিও তারা মন্ত্রিসভা থেকে এখনও পদত্যাগ করেনি৷

টিউনিশিয়াকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিতে এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় পরিষদের সদস্যরা একটি খসড়া সংবিধান তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছেন৷ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যা শেষ হবে বলে আশা করছেন তাঁরা৷

তবে সরকার পদত্যাগ না করলে তাঁদের সাথে কোনো সংলাপে হবে না বলে এরই মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিরোধী দলের বেশিরভাগ সদস্য৷ ২০১১ সালে তৎকালীন শাসক বেন আলির পতনের পর দেশের প্রথম নির্বাচনে জয় পায় ইসলামপন্থি এন্নাদা পার্টি৷

তাই এখন দেখার বিষয় সরকারবিরোধীদের আন্দোলনের মুখে বতর্মান সরকারের পতন হবে, নাকি আবারো একটি গৃহযুদ্ধে প্রবেশ করবে টিউনিশিয়া৷

এপিবি/ডিজি (এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন