1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

আফ্রিকান নারীদের জন্য নোবেল প্রচার অভিযান

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর তালিকায় একমাত্র আফ্রিকান মহিলা কেনিয়ার ওয়াঙ্গারি মাথাই৷ ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান তিনি৷ এবার রোমে আফ্রিকান নারীদের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পৌঁছে দিতে একটি প্রচারাভিযান শুরু হয়েছে

default

আফ্রিকার মেয়েদের অগ্রণী ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এই অভিযানের লক্ষ্য

এই বিশেষ প্রচারাভিযান শুরু হলো রোমে বুধবার৷ আফ্রিকা মহাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে মেয়েদের অগ্রণী ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোও এই অভিযানের লক্ষ্য৷ যাতে আফ্রিকান মহিলাদের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করার পথ প্রশস্ত করা যায়৷

প্রায় ৪৯টি সেবা প্রতিষ্ঠান প্রথম যৌথ শান্তি পুরস্কারের জন্য আফ্রিকান নারীদের মনোনয়ন দিয়েছে৷ এখন এই প্রতিষ্ঠানগুলো কুড়ি লক্ষ সই যোগাড় করে সুইডেনের নোবেল কমিটির কাছে পেশ করবে৷

Alltag auf den Kap Verden: Straßenszene

আফ্রিকার ভোগ্যপণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলাদের হাতে তৈরি

ক্যামেরুনের সংস্থা ফেমনেটের প্রধান সিলভি জ্যাকলিন দংমো জানান, ‘আমরা যাদের কথা বলছি তারা সবসময়ই মা, বোন, কন্যা এবং স্ত্রী কিন্তু তাদের নিজস্ব কোন পরিচয় নেই৷ অথচ এসব মহিলারা দিন-রাত, প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করছে৷ তারা কর্মঠ৷ এসব মহিলা শক্তি, আশা এবং এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা৷ অথচ তারা সবসময়ই পুরুষদের ছায়ায় চলাফেরা করেছে, নিজেদের লুকিয়ে রেখেছে৷'

সিলভি জ্যাকলিন আরো বলেন, নোবেল পুরস্কার আফ্রিকান নারীদের ত্যাগের কথা বলবে৷ তাদের ওপর অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ এবং যৌনাঙ্গচ্ছেদের কাহিনী বিশ্ববাসীকে জানাবে৷

আফ্রিকার কৃষিকাজে প্রায় ৭০ শতাংশ মহিলা নিয়োজিত৷ আফ্রিকার ভোগ্যপণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ মহিলাদের হাতে তৈরি৷ কিন্তু কখনোই তাদের নিজস্ব ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান তৈরির অনুমতি দেয়া হয়নি৷

নোবেল প্রাইজ ফর আফ্রিকান ওম্যান সংক্ষেপে ‘নোপাও' প্রচারাভিযানের সঙ্গে যুক্ত গিডো বারবেরা জানান, মহিলারাই হচ্ছে আফ্রিকার মূল চালিকাশক্তি৷ তারা সবসময়ই একসঙ্গে কাজ করে৷ তারা কখনোই একজন আরেকজনকে পেছনে একা ফেলে চলে যায় না৷ এসব মহিলা হল সহযোগিতার প্রতীক৷ তাদের সংগ্রাম, বেঁচে থাকার প্রেরণা, এগিয়ে যাওয়ার কঠিন মানসিকতাই তাদের নোবেল পুরস্কারের যোগ্য করে তুলেছে৷

ইটালির পররাষ্ট্র দপ্তরের জুনিয়র মন্ত্রী স্তেফানিয়া ক্রাক্সি এই প্রচার অভিযানকে শান্তি আর নিরাপত্তার জন্য এক নতুন কৌশল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার সুযোগ বলে অভিহিত করেছেন৷ তিনি বলেন: ‘‘আফ্রিকার মেয়েদের হাতেই রয়েছে গোটা মহাদেশের ভাগ্যের চাবি৷''

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক