1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

আফগানিস্তানে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পোস্ত চাষ

আগামী বছরের শেষ নাগাদ আফগানিস্তান থেকে তুলে নেয়া হবে সব ন্যাটো সেনা৷ আর এ জন্যই হয়ত আফগান চাষীরা বেশি করে ঝুঁকছেন আফিম চাষের দিকে৷ এ বছর উৎপাদনের পরিমাণ গত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে৷

আফগানিস্তান সম্পর্কে বার্ষিক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ ড্রাগ সংস্থা ইউএনওডিসি জানিয়েছে, এ বছর আফগানিস্তানে ফসল উৎপাদন বেড়েছে ৩৬ ভাগ৷ আর হেরোইনের মূল উপাদান আফিম বা যা থেকে আফিম তৈরি হয়, অর্থাৎ পোস্তোর উৎপাদন গত বছরের চেয়ে বেড়েছে ৫০ ভাগ৷ তাই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সেনারা আগামী বছর আফগানিস্তান ছেড়ে গেলে দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ৷

সংস্থাটি বলছে, চাষীরা তাঁদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কায় সম্পদ বাড়াতে পপি বা পোস্তোর উৎপাদন বাড়াচ্ছে৷ কারণ তাঁদের ধারণা, ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক সেনাদের ফিরিয়ে নেয়া হলে আফগানিস্তান আবারো অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে৷

রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছর পোস্ত চাষ হয়েছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার হেক্টর জমিতে, এ বছর চাষ হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার হেক্টর জমিতে৷ যে পরিমাণ আফিম উৎপাদন হয়েছে, তার আনুমানিক মূল্য অন্তত ৯৫ কোটি ডলার৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাদক পাচারকারীদের ব্যবসা লাভজনক হয়েছে, কেননা আফিমের বাজার আফগানিস্তানে বেশ চড়া৷

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইউরি ফেদোতভ বলেছেন, এই মাদক সমস্যা সমাধানে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সমন্বিত একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে৷ তাহলেই সেখানে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বজায় থাকবে৷ ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধ শুরুর পর এবং লাখো বিদেশি সেনার উপস্থিতিতেও আফগানিস্তানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আফিম উৎপাদন হয়৷

বিশ্বের ৯০ শতাংশ আফিম উৎপাদন হয় আফগানিস্তানে৷ পপি বা পোস্ত চাষীদের কাছ থেকে যে কর আদায় করে তালেবান জঙ্গিরা তা দিয়ে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে৷

পশ্চিমা মিত্রবাহিনীর সাথে আফগান সরকার বরাবরই আফিম চাষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামলেও সাফল্য খুব সামান্যই এসেছে৷ তালেবানের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোতেই বেশি পরিমাণে আফিম চাষ হয়৷

এপিবি/ডিজি (এপি,এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়